RIHA

RIHA live a loan free life. At RIHA, we are driven by a passionate belief in the power of compassion and collective action to transform lives.

As a dedicated
organization, our mission is to make free the poor one who are suffering to repay the loan that they have taken so far in need.

এতকিছুর পরেও,একবারও কি হাদীর আহলিয়াকে কোথাও দেখেছেন?কোনো টিভিতে,পত্রিকায় বা সোশ্যাল মিডিয়াতে? না,কোথাও তার স্ত্রীকে দ...
16/12/2025

এতকিছুর পরেও,একবারও কি হাদীর আহলিয়াকে কোথাও দেখেছেন?কোনো টিভিতে,পত্রিকায় বা সোশ্যাল মিডিয়াতে?

না,কোথাও তার স্ত্রীকে দেখা যায় নি।কোনো মিডিয়াতেও তিনি আসেন নি। হসপিটালে গিয়েছেন কি না জানি না।গেলেও সবার নজর-আড়ালে।

দেখছেন,কী হায়া সম্পন্ন ব্যক্তি?গায়রতবান পুরুষদের স্ত্রীরা আসলে এমনই হয়। তারা কঠিন বিপদের সময়ও, নিজের হায়া ও গায়রতের কথা ভুলে যান না।

তিনি জানেন,ওনার এসবে যাওয়া না-যাওয়াতে কিছুই যায় আসে না। জানেন,মিডিয়াতে আসলেওকোনো ফায়দা হবে না। তিনি জানেন ফায়দা কোথায়।
চাওয়া উচিত তার কাছে,যিনি 'শাফিঈ' সুস্থতা দানকারী।
©

কাল রাত ১০:০০ টা এর দিকে এই লোক উপর দিকে দু-হাত উঠিয়ে নিচের দিকে মাথানত করে বসে আছে। একটা পাঁচতলা বাসার নিচে। আমি দেখে হ...
22/10/2025

কাল রাত ১০:০০ টা এর দিকে এই লোক উপর দিকে দু-হাত উঠিয়ে নিচের দিকে মাথানত করে বসে আছে। একটা পাঁচতলা বাসার নিচে। আমি দেখে হতভম্ভ হয়ে গেলাম, কাছে গিয়ে বললাম। ভাই এখানে এভাবে বসে আছেন কেনো? তিনি নিচের দিকে মাথা রেখেই উত্তর দিলো যে, আমার পেটে ক্ষুধা, পকেটে টাকা নেই। আমার বয়স বেশি না, দেখতে যুবকের মতো, তাই কেউ ভিক্ষা দিবে না। আল্লাহ'তো বলছে বান্দা তোর রিযিকের ব্যবস্থা আমি করবো। ক্ষুধার জন্য আমি আর হাঁটতে পারতেছিনা, তাই আল্লাহর কাছে খাবার চাচ্ছি। আমি বললাম, প্রিয় ভাই আল্লাহ আপনার রিযিক পাঠাইছে আসুন আমার সাথে খাবারের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। তিনি এতো খুশি হয়ে উঠলেন, এবং বললেন, সৃষ্টিকর্তা আপনি মহান, আমি আপনাকে ভালোবাসি। এবং বারবার মাটিতে সিজদা দিতে থাকলো। সত্যি রিযিকের মালিক আল্লাহ, নয়তো আমি কেনো ঐখানে গেলাম আজ, তাও আবার রাতে। আল্লাহ তুমি মহান, আমিও আপনাকে ভালোবাসি। আমার পকেটে তার রিযিক ছিলো সেটা মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কেউ জানতো না। আলহামদুলিল্লাহ।

-সাব্বির আহমেদ

জুবায়েদের অপরাধটা কি ছিলো?তার ছাত্রী তার প্রেমে পরছিলো। কিন্ত জুবায়েদ এটা জানতো না। তার ছাত্রী তাকে ভালো লাগার কথা জুবায়...
20/10/2025

জুবায়েদের অপরাধটা কি ছিলো?

তার ছাত্রী তার প্রেমে পরছিলো। কিন্ত জুবায়েদ এটা জানতো না। তার ছাত্রী তাকে ভালো লাগার কথা জুবায়েদকে জানায় নি। জানিয়েছিলো তার সাবেক প্রেমিককে।

জুবায়েদের অপরাধ ছিলো তাকে একজন মানুষ পছন্দ করে ফেলেছিলো। যেটা সে জানতো না।আর একারণেই সেই ছাত্রীর সাবেক প্রেমিক তার বন্ধুদের নিয়ে তাকে কু পিয়ে মে রে ফেললো।

আপাতত এতো টুকুই মিডিয়া থেকে জানা গেছে।

_______

জুবায়েদ জানতো না তাকে কেন মারা হচ্ছে। তাকে যখন কো /পানো হচ্ছিলো...জুবায়েদ খুব সম্ভবত বিস্মিত চোখ নিয়ে তার হ/ত্যা কারীর দিকে তাকিয়ে ছিলো।

এটা সেই সময় যে সময়ের কথা নবী মুহাম্মদ (সা) বলে গিয়েছেন

এই সময় নিয়েই বলা হয়েছে:

«لَيَأْتِيَنَّ عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ، لَا يَدْرِي الْقَاتِلُ فِيمَ قَتَلَ، وَلَا الْمَقْتُولُ فِيمَ قُتِلَ»

(লইয়াতীন্না ‘আলা ন্‌নাসি জামানুন, লা ইয়াদরীল ক্বাতিলু ফীমা ক্বাতালা, ওয়া লা আল-মাকতুলু ফীমা ক্বুতিলা।)

অর্থ:

“মানুষের উপর এমন এক সময় আসবে — খুনকারী জানবে না কেন সে খুন করলো, আর খুন হওয়া ব্যক্তি জানবে না কেন তাকে খুন করা হলো।”

18/10/2025

ভিকারুন্নেসার যে মেয়েটার ভাইরাল হল তাকে নিয়ে হাসাহাসি করার কিছু নেই। এই সময়টাই এমন। এই মেয়েগুলো এরকম একটা সমাজ দেখেই বেড়ে উঠছে।

মেয়েটা নারায়ণগঞ্জের নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের, দেখতে সুন্দর, টিকটক করে। সে জানে কোনভাবে ভাইরাল হতে পারলে এ পৃথিবীতে তার অনেক সুযোগ।

এই মেয়েগুলা only fans দেখে বড় হয়। তারা দেশের মডেল অভিনেত্রীদের দেখে - যে যত বেশি খোলামেলা ভাবে ক্যামেরার সামনে আসতে পারে সে তত বেশি মিডিয়া কাভারেজ পাচ্ছে ।

এই মেয়েরা পপুলার হতে চায়। মানুষের কাছে রেলিভেন্ট হতে চায়। টাকা-পয়সা আয় করতে চায়। ছেলেদের অ্যাটেনশন চায়।

কারণ তাদের বোঝানো হয়েছে এটাই সাফল্য।

একটা মেয়ে মাসে ২০ দিন টিউশনি করে পাঁচ হাজার টাকা পায়। আবার আরেকজন এক রাত একজন পুরুষের সাথে থেকে বিশ হাজার টাকা আয় করে। তারা এই পার্থক্য গুলো দেখে সমাজে। তারা এই ১৯ দিন ফাও খাটতে চায় না।একটা কম্ফোর্টেবল জীবন চায়।

তারা জানে যে কোনভাবে একটু লজ্জা কমাতে পারলেই সবকিছু সম্ভব জীবনে।

ক্লাস সিক্সের যে ছেলেটা নেচে গিয়ে পুডিং বিক্রি করছিল তার গল্পও অনেকটা এরকম। এদের পরিবারে অভাব আছে। যেকোনো মূল্যে তারা ইনকাম করতে চায়।

ছেলেটা অলরেডি অনেক ব্র্যান্ডের প্রমোশন করছে। এই মেয়েটাও অনেক জায়গা থেকে অফার পাবে আগামী এক সপ্তাহের মাঝে।

তাদের চোখে তারা সফল, আপনি আমি যাই বলি না কেন।

এই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের দোষ না দিয়ে বরং আমরা সমাজটা নিয়ে আরেকটু গভীরভাবে চিন্তা করতে পারি।

আমাদের এই পুরো সমাজটাকে নষ্ট করতেছে বড়লোক ব্যবসায়ীরা এবং ক্যাপিটালিজম।

আপনার হাতে টাকা থাকলে আপনি এমন কোন অন্যায় নাই যা করতে পারবেন না।

'মাত্র ৩৪‌ দি‌নেই জীব‌নের‌ মোড় ঘু‌রে গে‌লো। ১০০০ ((নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই) বার দুরুদ পাঠ ছিলো আমার টা‌র্নিং প‌য়েন্ট!...
16/10/2025

'মাত্র ৩৪‌ দি‌নেই জীব‌নের‌ মোড় ঘু‌রে গে‌লো। ১০০০ ((নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই) বার দুরুদ পাঠ ছিলো আমার টা‌র্নিং প‌য়েন্ট!' এই গল্পটি এক ভাইয়ের কাছ থেকে শোনা, যিনি একসময় নামাজহীন, গাফেল জীবনে ডুবে ছিলেন।

তিনি বলেন—
"আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো পড়তাম না, দ্বীন নিয়ে ভাবনাও ছিল না। জীবনে শুধু হতাশাই ছিল। চাকরি নেই, সংসারে টানাপোড়েন, আত্মীয়দের কাছে অপমান—সবমিলিয়ে হতাশার অতল গহ্বরে ডুবে যাচ্ছিলাম।

একদিন হঠাৎ করে ইউটিউবে দরুদের ফজিলত নিয়ে একটি লেকচার দেখি। ফজিলত দেখে নিয়ত করলাম, একবার চেষ্টা করে দেখি।
আমি ঠিক করলাম—প্রতিদিন ১০০০ বার দুরুদ পড়ব, ৪০ দিন পর্যন্ত।
প্রথম কয়েকদিনেই মনে হচ্ছিল, ভেতরের ভার যেন একটু হালকা হয়ে যাচ্ছে। অজানা এক প্রশান্তি পেতাম।

দিন যেতে লাগলো। ঠিক ৩৪তম দিনে একটা কোম্পানি থেকে চাকরির কল আসে। যেই চাকরির জন্য আমি আগেও অনেকবার আবেদন করেও ব্যর্থ হয়েছিলাম—এবার একেবারে ডিরেক্ট রিক্রুট!

সেদিন শুধু সেজদায় পড়ে কেঁদেছিলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে কেঁদেছিলাম। দুরুদের বরকতে আল্লাহ তায়ালা আমার জন্য অসম্ভব কে সম্ভব করে দিয়েছেন।

আল্লাহ দরুদকে আমার জন্য হিদায়াতের দরজা বানিয়ে দিয়েছেন।
এই দরুদই আমাকে নামাজে ফিরিয়েছে, হতাশা থেকে মুক্ত করেছে, আর প্রমাণ করেছে—দোয়া কবুল হয়, শুধু দরজা ঠিক রাখতে হয়।
আজও আমি ১০০০ (নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই) দুরুদ পড়ি, তবে আর কোনো চাওয়ার জন্য নয়, বরং আল্লাহর ভালোবাসার জন্য।

- সংগৃহীত

আগুনে পোড়া লাশের নাম মাহিরা বয়স ১৪বেতন ৭৫০০
15/10/2025

আগুনে পোড়া লাশের নাম মাহিরা
বয়স ১৪
বেতন ৭৫০০

আজকে এক ভদ্রমহিলা মারা গেলেন। ৮৪ বছর বয়স হয়েছিলো উনার, আল্লাহ পাক নিয়ে গেলেন। উনার মারা যাওয়ার ব্যপারটা ইন্টারেস্টিং না।...
14/10/2025

আজকে এক ভদ্রমহিলা মারা গেলেন। ৮৪ বছর বয়স হয়েছিলো উনার, আল্লাহ পাক নিয়ে গেলেন। উনার মারা যাওয়ার ব্যপারটা ইন্টারেস্টিং না। কুল্লু নাফসিন যাইকাতুল মওঊত, মারা তো সবাইকেই যেতে হবে একদিন। ইন্টারেস্টিং হলো, উনি যেই প্রক্রিয়াটায় মারা গিয়েছেন, সেই প্রক্রিয়াটায়।

বয়স্ক এই ভদ্রমহিলার একজন নয়, দুইজন নয়, পাঁচ পাঁচজন সন্তান রয়েছে, সবাই ই বিবাহিত। তিন ছেলে দুই মেয়ের এই গর্বিত মা জননী তিন ছেলেকে পুরান ঢাকায় তিনটি দোকান ভাগ করে দিয়েছেন। ছেলেদের সংসারের জয়েন্ট ফ্যামিলিতে থাকতেন। উনার মৃত্যুর প্রক্রিয়াটা শুরু হয় মাসখানেকের কিছু আগে।

মাসখানেক আগে থেকে প্রতিদিন তিনি বলতেন, "আমার না বুকে অনেক ব্যথা করে। আগে কম করতো, এখন অনেক বেশী করে।" ব্যথাটা কোথায় করে, সেটা জিজ্ঞেস করলে তিনি বুকের নির্দিষ্ট একটা পিনপয়েন্ট লোকেশন দেখাতেন। সন্তানরা বললো, "গ্যাসের ব্যথা, তুমি গ্যাসের ট্যাবলেট খাও।"

গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়া হলো একের পর এক, ব্যথা গেলো না। ভদ্রমহিলার অভিযোগ করতেই থাকলেন। তিনি বসা থেকে উঠতে গেলে বুকে ব্যথা পান, দাঁড়ানো থেকে বসতে গেলেও বুকে ব্যথা পান, এমনকি নি:শ্বাস নিতে গেলেও বুকে ব্যথা পান। সপ্তাহখানেক পরে তিনি ছেলেদেরকে আলাদা আলাদা করে ডেকে নিয়ে অনুরোধ করে বললেন, "আমাকে একটা ডাক্তার দেখাও না তোমরা!! বুকের ব্যথাটায় অনেক কষ্ট পাচ্ছি।"

ডাক্তার দেখানো হলো না। তবে এই ফ্যামিলিটার একটা দু:সম্পর্কের আত্মীয় আছে, যিনি কিছুদিন আগে এমবিবিএস পাশ করে এখন একজন সার্জন হিসেবে কাজ করছেন। সেই সার্জনের সাথে কনসাল্ট করা হলো, ফোনে।

কমবয়সী সেই ডাক্তার সিম্পটম শুনেই বললো, অসুখটা সুইমিংপুলের পানির মত পরিষ্কার, সমস্যাটা কার্ডিয়াক। আপনারা এক্ষণি একটা ইকোকার্ডিওগ্রাম করান, সাথে আরও দুটো টেস্ট করাবেন। দ্রুত ট্রিটমেন্টে চলে না গেলে বিপদ কিন্তু বাড়বে।

তিনটা টেস্ট করাতে সাড়ে চার হাজার টাকার মত লাগবে শুনে সন্তানরা সেগুলো করালেন না। তারা ইস্যুটা চাপা দিয়ে ফেলার জন্য বললেন, "আরে ধূর, এত টাকার টেস্ট লাগবে না। প্রবলেমটা মনে হয় গ্যাসেরই। মা খায় না ঠিকমতো, খাওয়াটা রুটিনমাফিক করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।"

ব্যথা গেলো না। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চললো। এরই মাঝে তারা একজনকে ডাক্তার সাজিয়ে বাসায় এনে ভদ্রমহিলার চেকাপ করানোর নাটকও করলেন। তাকে শান্ত করার জন্য জানানো হলো, "আপনার কিছুই হয় নাই। খাওয়াদাওয়াটা রুটিনমাফিক করবেন। সব ঠিক হয়ে যাবে।"

এভাবে দুই সপ্তাহ চলার পরে বয়স্ক ভদ্রমহিলা হুট করে একদিন পড়ে গেলেন, তার মুখ বেঁকে গেলো, কথা বলা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলো। যেই সাড়ে চার হাজার টাকার টেস্ট সন্তানরা করাতে চাচ্ছিলো না, সেই টেস্টগুলোই তাকে হাসপাতালে এডমিট করার পরে করানো হলো। উনার শরীরে হোয়াইট ব্লাড সেল পাওয়া গেলো দেড় লাখ। এখন আইসিইউ ছাড়া উপায় নেই।

বাসায় তিন ভাইয়ের মিটিং বসলো। মায়ের দিয়ে যাওয়া পুরান ঢাকার তিনটা দোকান দিয়ে পেট চালানো তিন ভাইয়ের একজন বললো, "আইসিইউতে অনেক খরচ, এত টাকা কোথায় পাবো?? উই আর অল ব্রোক!!" বাকি দুই ভাই বিনা প্রশ্নে সম্মতি দিলো।

সেই কমবয়সী ডাক্তারটা এই ঘটনা জানার পরে নিজ উদ্যোগে নিজের চ্যানেল দিয়ে NICVD তে একটা আইসিইউ বেড জোগাড় করে দিলেন, যেখানে পার ডে তে খরচ পড়বে মাত্র দেড় হাজার টাকা। এই বেড পাওয়া আর লটারি পাওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। সরকারি এবং এত সস্তা আইসিইউ বাংলাদেশে আর কোথাও নাই।

কমবয়সী ডাক্তারটা বয়স্ক মহিলার ছেলেদের শুধু হাত পায়ে ধরা বাকি রাখলেন ওখানে ভর্তি করানোর জন্য। এত অনুরোধেও কাজ হলো না, তারা মা কে ভর্তি করালো না। ঠিক সেই মুহূর্তটায় পরিষ্কার হয়ে গেলো, তাদের মায়ের চিকিৎসার জন্য টাকা জিনিসটা আসলে কখনোই ইস্যু ছিলো না।

তাকে বাসায় নিয়ে এসে একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগিয়ে বিছানায় ফেলে রাখা হলো। মাঝেমধ্যে গা হাত পা টিপে মুছিয়ে দেয়া হলো। মাতৃসেবার নামে এই ভন্ডামি করে তারা এই বয়স্ক ভদ্রমহিলার মৃত্যুর অপেক্ষা করে গেলো।

মানুষের শরীরে হোয়াইট ব্লাড সেল বা WBC এর স্বাভাবিক রেঞ্জ হলো চার থেকে এগারো হাজার। WBC যখন ৬০-৭০ হাজারে যায়, তখন শরীরের ভিতরের সবকিছু আগুনে পুড়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। জ্ঞান থাকলে মানুষটা যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে, বরফ খেতে চায়, গায়ে পানি ঢালতে চায়।

এই ভদ্রমহিলার WBC ছিলো দেড় লাখ!! শরীরের ভিতর দিক থেকে পুড়ে যাওয়ার যেই যন্ত্রণাটা তিনি পেয়েছেন, সেটা এমনকি বর্ণনা করাও সম্ভব না।

ভদ্রমহিলা আজকে মারা গিয়েছেন। কারও মৃত্যুতে আলহামদুলিল্লাহ পড়া উচিৎ না, কিন্তু আমি পড়লাম। উনার সকল যন্ত্রণার অবসান করে দেয়ার মত দয়া দেখানোর জন্য আমি আল্লাহপাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করলাম।

আইসিইউ ম্যানেজ করে দেয়া সেই ডাক্তার দুই ঘন্টা সময় নিয়ে আমাকে ঘটনাটা বলেছেন। শেষদিকে কান্না আটকানোর জন্য উনি কথা বলতে পারছিলেন না। ভাঙা ভাঙা গলায় আমাকে বললেন, "এই মহিলার এক ছেলের বউ ইনফার্টাইল, কোনোদিন বাচ্চা হবে না। এটা জানার পরেও এই মহিলা কোনোদিন মনের ভুলেও ছেলের বউকে কোনোদিন খোঁটা দিয়ে কথা বলেন নাই। ছেলেকে আরেকটা বিয়েও করতে বলেন নাই। সেই মায়ের সাথে কিভাবে পারলো এত নিষ্ঠুর হতে এরা?? মায়ের লিখে দেয়া দোকান থেকে ইনকাম করে খাচ্ছে। সেই মায়ের চিকিংসার সময় এই কাজটা এরা কিভাবে করলো??"

কিছু কিছু সময় আসে, যখন মানুষ আসলে শুধু প্রশ্নটাই করতে চায়। উত্তর পাওয়াটা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ না, প্রশ্ন করার ফ্লোর পাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।

আমি এক অখন্ড নীরবতার মধ্যে এই প্রশ্নটাকে বহমান নদীর কচুরিপানার মত ভেসে যেতে দিলাম।
সংগৃহীত

14/10/2025

ঋণ-কর্জে আল্লাহ রহমত রাখেন নাই। এটা জালের মত। একটু গায়ে জড়ালে, শুধু জড়াতেই থাকবেন!!

06/10/2025

টাকা থাকলে ভুলও ক্ষমা হয়, আর না থাকলে, নিরবতাও অপরাধ!

06/10/2025

আমার মনে হয় না,বাংলাদেশর কোন মানুষ এমন পাওয়া যাবে না,যার এনজিও/সমিতি তে নাম নাই,এই সুদের মাঝে প্রতিনিয়ত যে মানসিক মৃত্যু হইতেছে,তা কি আমরা টের পাইতেছি?

28/05/2025

যত বেশি ভন্ড হবেন, সার্কেল বড়ো হতে থাকবে। যত বেশি সৎ হবেন সার্কেল ছোট হতে থাকবে।

02/02/2025

আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন, হাজার হাজার আবেদনের মাঝে সবাইকে সহায়তা না করতে পারায় আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। একেক জনের সমস্যা গুলা জানার পর, আসলে ইচ্ছা থাকলেও ফান্ডের অভাবে কিছ করতে না পারার চেয়ে বড় বিফলতা আর নাই।

ইনশাআল্লাহ আজ রাতে পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RIHA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RIHA:

Share