Creative for PSC, Bank & All Others Competative Exams

Creative for  PSC, Bank & All Others Competative Exams wait and see!!!!

20/01/2024

’আত্ম বিলাপ’

# পি কে হালদার কত টাকা লু * ট করেছে মনে আছে?
৥ ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি!
#আমাদের ৫৩ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছর বরাদ্ধ কত জানেন?
৥ ১২ হাজার ১৮৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
# আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপকের সম্মানী কত জানেন?
৥ পঞ্চাশ হাজার টাকা(৫০,০০০/-)।
# আমাদের পাশের দেশের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপকের সম্মানী কত জানেন?
৥ প্রায় দুই লক্ষ রুপি (২,০০,০০০ প্রায়)।

যদি শিক্ষদের চেয়ে পিকে হালদারা বেশী সুযোগ সুবিধা পায় তবে এদেশে শিক্ষক না হয়ে সবাই পিকে হালদারই হতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক।
শিক্ষার মান উন্নয়নের প্রধান অংশীদারদের বাদ দিয়ে যদি এই সেক্টরের উন্নয়ন আশা করা হয় তবে তা বরংবার ভ্রূণেই বিনষ্ট হবে।

19/07/2018

২১৫ টা সরকার ও রাজনীতি বিষয়ক পরিভাষা।
-----------------------------------
1. Government -- সরকার
2. Form / Structure of Government -- সরকার ব্যবস্থা
3. Classification of Government --সকারের শ্রেণীবিভাগ
4. Monarchy --রাজতন্ত্র
5. Tyranny --- স্বৈরতন্ত্র
6. Aristocracy -- অভিজাতন্ত্র
7. Oligarchy -- ধনীতন্ত্র / কুলীনতন্ত্র
8. Autocracy -- একনায়কতন্ত্র
9. Autonomous --- স্বয়াত্বশাসিত
10. Theocracy --- ধর্মশাসিত
11. Gerontocracy --- বয়স্কলোকদের দ্বারা শাসিত সরকার।
12. Technocracy --- বিজ্ঞানী ও গবেষকদের দ্বারা শাসিত সরকার
13. Democracy -- গণতন্ত্র
14. Democratic government -- গণতান্ত্রিক সরকার
15. Republic government -- প্রজাতান্ত্রিক সরকার
16. Parliamentary Government / Cabinet Government -- মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার
17. Presidential Government -- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
18. Unitary Government -- এককেন্দ্রিক সরকার
19. Federal government -- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার
20. Provincial Government -- প্রাদেশিক সরকার
21. Federation -- যুক্তরাষ্ট্র
22. Direct Democracy --- প্রত্যক্ষ গনতন্ত্র
23. Representative Democracy -- পরোক্ষ গনতন্ত্র
24. Referendum -- গণভোগ/গণনির্দেশ
25. Plebiscite --- জনমত নির্ধারণ
26. Dictatorship --- একনায়কতন্ত্র
27. Fascism -- ফ্যাসিবাদ
28. Anarchy --- নৈরাজ্য
29. Anarchist -- নৈরাজ্যবাদী
30. Despot -- স্বৈরশাসক
31. Potentate --- একক ক্ষমতার অধিকারী
32. Tyrannical --- স্বৈরচারী
33. Apolitical -- রাজনৈতিক ব্যাপারে উদাসীন
35. Regime -- শাসনব্যবস্থা
36. Polity -- রাষ্ট্রপ্রশাসনব্যবস্থা
37. Absolute Monarchy -- অসীম রাজতন্ত্র
38. Socialism --- সমাজন্ত্রবাদ
39. Socialist Government -- সমাজতান্ত্রিক সরকার
40. Military Government --- সামরিক সরকার
41. Marital Law -- সামরিক আইন
42. Puissance -- প্রভাবান্বিত করার ক্ষমতা
43. Magisterial -- কর্তৃত্বপূর্ণ
45. Technocrat -- রাজনৈতিক সমর্থন পুষ্ট বিশেষজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ / কারিগর
46. Subvert -- সরকার বিরোধিতা করা
47. Incumbent --- রাজনৈতিক দপ্তর সংক্রান্ত
48. Interregnum --- অন্তর্বর্তীকালীন রাজত্ব
50. Authoritative Department --- কর্তৃত্বমূলক অধিদপ্তর
51. Suffrage -- ভোটাধিকার
52. Constituency -- নির্বাচনী এলাকা
53. Constituent -- ভোটার
54. Military Coup -- সামরিক অভ্যুত্থান
55. Partisan --- পক্ষাবলম্বী
56. Bipartisan -- দ্বিদলীয়
57. Multiparty democracy -- বহুদলীয় গণতন্ত্র।
58. Hurdles to the best government -- উত্তম সরকারের পথের অন্তরায় সমুহ
60. Different organs of Government -- সরকারে অঙ্গ সমুহ
61. The Judiciary -- বিচারবিভাগ
62. The executive -- শাসন বিভাগ
63. The Legislatures -- আইনবিভাগ
64. Function of the judiciary -- বিচার বিভাগের কার্যাবলী
65. Transparency of Judiciary -- বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা
66. Independence of Judiciary -- বিচারবিভাগের স্বাধীনতা
67. Separation of Judiciary from executive -- প্রশাসন থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
68. Affidavit -- হলফ নামা
69. Subpoena -- সাক্ষী হাজির হওয়ার জন্য তলবনামা
70. Unicameral legislature -- এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা
71. Bicameral Legislature -- দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
72. Rule making Function -- আইন প্রণয়নের কাজ
73. Rule application function -- আইন প্রয়োগের কাজ
74. Rule Adjudication Function --- বিচারকাজ পরিচালনা ও শাস্তি বিধান
75. Policy Maker -- নীতিনির্ধারক
76. Plural Executive --- সমষ্টিগত শাসক
77. Tribunal -- বিচারসভা
78. Jurisprudence --- আইনশাস্ত্র
79. Arrest Warrant -- গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
80. Writ -- আইনি পরোয়ানা
81. Judicature -- বিচারব্যবস্থা
82. Judicious -- সুবিচারপূর্ণ
83. Statutory -- সংবিধিবদ্ধ
84. Legislation -- আইনপ্রণয়ন
85. Legislate --- আইনপ্রণয়ন করা
86. Legitimate -- বৈধতা, আইনসম্মত
90.Equity -- ন্যায়বিচার
91. Imprison -- কারারুদ্ধ
92. Extradition -- কয়েদি হস্তান্তর
93. War criminal -- যুদ্ধাপরাধী
94. Quisling -- রাজাকার
95. Apprehend -- গ্রফতার করা
96. Acquittal --- বেকসুর খালাস
97. Felony -- গুরুতর অপরাধ
98. Moratorium /Abeyance -- মূলতবী
99. Transgress -- আইন লংঘন করা
100. Minor crime -- লঘু অপরাধ
101. Coalition Government -- জোট সরকার
102. To hold protest rallies against tyranny -- স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবে ও মিছিল।
103. Lahore Resolution -- লাহোর প্রস্তাব
105. Six point demand -- ছয় দফা দাবী
106. Provincial legislative election --- প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচন
107. Two nations theory --- দ্বিজাতিতত্ত্ব
108. Cabinet Mission -- মন্ত্রীসভা পরিকল্পনা
109. United front ministry --- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা
110. Palace Intrigue --- প্রাসাদ ষড়যন্ত্র
111. Basic Democracy Ordinance -- মৌলিক গনতন্ত্র অধ্যাদেশ
112. Economic Disparity in East Bengal -- পূর্ব বাংলায় অর্থনৈতিক বৈষম্য
113. Mass Upheaval -- গণ অভ্যুত্থান
114. Military upsurge - সামরিক অভ্যুত্থান।
115. Multiparty Politics -- বহুদলীয় রাজনীতি।
116. Multiparty democracy -- বহুদলীয় গণতন্ত্র।
117. Mutual Cooperation -- পারস্পরিক সহযোগীতা
118. Mutual Mistrust -- পারস্পরিক অবিশ্বাস।
119. Press Conference /Release -- সংবাদ সম্মেলন / বিজ্ঞপ্তি।
120. Political Alliance -- রাজনৈতিক জোট।
121. Spasmodic communal riot -- আকস্মিক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা
122. Sporadic attack and counter chase -- বিক্ষিপ্ত ধাওয়া পালটা ধাওয়া।
123. Mass hunger strike -- গণঅনশন ধর্মঘট।
125. Local elites -- স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
136. Internal strife -- দলীয় অন্তঃকোন্দল
137. Issuing section 144 -- ১৪৪ ধারা জারি।
138. Home minister -- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
139. State Minister for Home -- স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
140. Raid of Plainclothes police -- সাদা পোষাকদারী পুলিশের তল্লাশী।
145. Repercussion of verdict - রায়ের পালটা প্রতিক্রিয়া।
146. Total Disregard and betrayal of constitution - সংবিধানের সম্পুর্ণ অবমাননা এবং
বিশ্বাসঘাতকতা
147. Apprehended accused - গ্রেপ্তারকৃত আসামী।
148. Went into hiding for apprehension - গ্রেপ্তারের ভয়ে গা ঢাকা দেয়া।.
149. Swoop on broad day light - প্রকাশ্য দিবালোকে অতর্কিত হামলা করা।
150. Mass Beating to Death - গণ পিটুনিতে মৃত্যু।
151. Resources to forgery --- জালিয়াতির আশ্রয় নেয়।
152. Abducted Businessman - অপহৃত ব্যবসায়ী।
153. Intrude in Court's premise - আদালত চত্বরে অবৈধভাবে প্রবেশ করা।
154. Go on Rampage Haphazardly - এলোপাথাড়ি ভাংচুর করা।
155. Deploying police in the spot - ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন।
156. Political Affiliation -- রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা
157. Political upsurge -- রাজনৈতিক উত্থান।
158. Politics of Vengeance and vendetta --- প্রতিহিংসার ও প্রতিশোধের রাজনীতি ।
159. Politics of Hartal & repression -- হরতাল ও নির্যাতনের রাজনীতি।
160. Political turmoil/Relentless -- রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা / অস্থিরতা
161. Public Administration -- লোক প্রশাসন।
162. Location Administration -- স্থানীয় সরকার।
163. Political Insight -- রাজনৈতিক দুরদর্শিতা।
164. Autonomous body -- স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্টান।
165. Politically Motivated -- রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
166. Political Feud -- রাজনৈতিক কোন্দল।
167. Political Violence -- রাজনৈতিক সহিংসতা।
168. Political pressure and persecution -- রাজনৈতিক চাপ ও নির্যাতন।
169. Stage Demonstration -- বিক্ষোভ প্রদর্শন।
170. Ruling party -- শাসকদল।
171. Party in Opposition -- বিরোধীদল।
172. Unconditional Withdraw of troops -- নি:শর্ত সৈন্য প্রত্যাহার।
173. Peace loving people -- শান্তিকামী মানুষ।
174. Peace talk --- শান্তি আলোচনা।
175. Bilateral Discussion -- দ্বিপাক্ষিক আলোচনা।
176. Peace Accord / Agreement -- শান্তিচুক্তি।
177. Self Contradictory Statement of Government/ Party in Opposition --- সরকারের / বিরোধী দলের স্ববিরোধী বক্তব্য।
178. Tragic Accident -- মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।
179. Judicial Killing -- আইনি প্রক্রিয়ায় হত্যা।
180. Tarnishing image of the government -- সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকরণ।
181. Token Hunger Strike -- প্রতিকী অনশন ধর্মঘট।
182. Mass upsurge --- গণঅঅভ্যুত্থান
183. Foiling the blue print of conspiracy -- ষড়যন্ত্রের নীল নকশা নস্যাৎকরণ
184. Communal Politics -- সাম্প্রদায়িক রাজনীতি
185. Mass Media -- গনমাধ্যম
186. Mass Communication -- গণযোগাযোগ।
187 . Mass Movement -- গণ আন্দোলন।
188. Noncooperation Movement - অসহযোগ আন্দোলন।
189. Ensue as the backlash of controversy - বিতর্কের জেড় ধরে সুত্রপাত হওয়া।
190. Prompt Action - তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ।
191. Stringent action - কঠোর পদক্ষেপ।
192. Zero Tolerance - কোন ছাড় না দেয়া।
193. Absconding Accused - ফেরারি আসামী।
194. Faction clash on Centering the issue of forthcoming election - আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় কোন্দল।
195. Further Deterioration of Law enforcing agencies - আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলোর আরো অবনতি।
196.. Aggravate the situation - অবস্থার অবনতি করা।
197. National Consensus - জাতীয় ঐক্য।
198. Digital security act 2018 - ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮।
199. Political Sanctions -- রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা।
200. Brutally Killed - নৃশংসভাবে হত্যা।
201. Abuse / Malpractice of political power - রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার।
202. On the condition of Anonymity - নাম প্রকাশ না করার শর্তে।
203. Distorting History - বিকৃত ইতিহাস.
204. Derogatory information - অবমাননাকর তথ্য।.
205. To file a defaming case -- মানহানির মামলা করা।
206. Defamation of the father of nation --- জাতির পিতার অবমাননা।
207. Exemplary Punishment - দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি।
208. Submitting memoranda to Deputy commissioner - জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা।
209. Derogatory information - অবমাননাকর তথ্য।
210. Curb stringently - শক্তভাবে দমন করা।
211. Anti state activities --- রাষ্ট্র বিরোধী কার্যকলাপ
212. Against a backdrop -- তীব্র উত্তেজনার মধ্যে
213. Military Crackdown --- সামরিক সাঁড়াশী অভিযান
214. Extremist Political Group -- চরমপন্থি রাজনৈতিক দল
215. Hard - earned democracy -- কষ্টার্জিত গণতন্ত্র
[ Next Episode :- Good Governance & Election ]
-------------লিখেছেন----------
চৌধুরী আবুল হাসান মাসুম
সহকারী পরিচালক (Rec..)
বাংলাদেশ ব্যাংক

বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান.............................১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দখালিশপুর (...
04/11/2014

বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান.............................

১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দখালিশপুর (বর্তমানে হামিদনগর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান। তার বাবার নাম আক্কাস আলী মণ্ডল ও মায়ের নাম কায়েদুননেছা। অতি শৈশব থেকেই তাকে বাস্তবতার সঙ্গে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়েছে। দারিদ্রের নির্মমতা তাকে উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করলেও জীবন সংগ্রামে পিছিয়ে থাকেননি তিনি।
১৯৭১ সালে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। ২৫ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালালে দেশপ্রেমিক হামিদুর রহমান দেশমায়ের মুক্তির স্বপ্নে যোগ দেন মুক্তি বাহিনীতে। অংশগ্রহণ করেন একের পর এক যুদ্ধে।
১৯৭১ সালের অক্টোবর মাস। হামিদুর রহমান মুক্তি বাহিনীর সাহসী যোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল এলাকায়। এখানে অবস্থিত ধলই বিওপিতে পাকিস্তানিদের শক্ত ঘাটি দখল করতে পারলেই মুক্ত করা যায় বিস্তৃর্ণ অঞ্চল। এ পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে ২৮ অক্টোবর ভোরে মুক্তিবাহিনী শুরু করলো আক্রমণ। চা বাগানের ভিতরে হামাগুড়ি দিয়ে হালকা মেশিনগান নিয়ে এগিয়ে গেলেন হামিদুর রহমান।
শত্রু ঘাটির কাছে গিয়ে তিনি হঠাৎ হামলা চালালেন তাদের উপর। নিহত হলেন প্রতিপক্ষের অধিনায়কসহ বেশকিছু পাকিস্তানি সৈন্য। শত্রু সৈন্যরা পরিস্থিতি শামাল দিতে শুরু করে পাল্টা আক্রমণ। এতে পিছ্পা না হয়ে হামিদুর রহমান প্রাণপণে লড়াই চালিয়ে গেলেন। হঠাৎ শত্রুসেনার একটি বুলেট এসে বিদ্ধ হলো তার কপালে, মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন হামিদুর রহমান। ৫ দিন অবিরাম যুদ্ধের পর মুক্ত হলো ধলই বিওপি। হামিদুরের আত্মত্যাগ মুক্ত করলো বাঙালির মুক্তির পথ।
সেসময় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাসা গ্রামের একটি মসজিদের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। ৩৬ বছর পর ২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর তার দেহাবশেষ ঢাকায় এনে দাফন করা হয় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবর স্থানে।

29/10/2014

উলু বনে মুক্তা ছড়ানো
- To cast pearls before swine.
উত্তম মাধ্যম দেওয়া-
To beat black and blue.
উচুগাছেই বেশি ঝড় লাগে
-High winds blow on high hills.
উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়
-The child is father to the man
উড়ে এসে জুড়ে বসা
-To be quick to occupy.
এক ক্ষুরে মাথা মোড়ান
-To be tarred with the same brush.
এক ঢিলে দুই পাখি মারা
-To kill two birds with one stone.
এই তো কলির সন্ধ্যা
- It is just the beginning of the trouble.
এক হাতে তালি বাজে না
-It takes two to make a quarrel.

24/09/2014

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিদের মেয়াদ কাল আসুন জেনে নিন বাংলাদেশের
২০ রাষ্ট্রপতির নাম ও তাদের মেয়াদকাল।
১) শেখ মুজিবুর রহমান
(মেয়াদকাল ১৭-০৪-৭১ থেকে ১২-০১-৭২ ইং)
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত)
(মেয়াদকাল ১৭-০৪-৭১ থেকে ০৯-০১-৭২ ইং)
২) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
(মেয়াদকাল ১২-০১-৭২ থেকে ২৪-১২-৭৩ ইং)
৩) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
(মেয়াদকাল ২৪-১২-৭৩ থেকে ২৫-০১-৭৫ ইং)
৪) শেখ মুজিবুর রহমান
(মেয়াদকাল ২৫-০১-৭৫ থেকে ১৫-০৮-৭৫ ইং)
৫) খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ
(মেয়াদকাল ১৬-০৮-৭৫ থেকে ০৬-১১-৭৫ ইং)
৬) বিচারপতি এ এস এম সায়েম
(মেয়াদকাল ০৬-১১-৭৫ থেকে ২১-০৪-৭৭ ইং)
৭) জিয়াউর রহমান
(মেয়াদকাল ২১-০৪-৭৭ থেকে ৩০-০৫-৮১ ইং)
৮) বিচারপতি আবদুস সাত্তার
(মেয়াদকাল ৩০-০৫-৮১ থেকে ২৩-০৩-৮২ ইং)
০৯) বিচারপতি এ এফ এম আহসান উদ্দিন চৌধুরী
(মেয়াদকাল ২৪-০৩-৮২ থেকে ১০-১২-৮৩ ইং)
১০) হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ
(মেয়াদকাল ১০-১২-৮৩ থেকে ০৬-১২-৯০ ইং)
১১) বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ
(মেয়াদকাল ০৬-১২-৯০ থেকে ০৯-১০-৯০ ইং)
১২) আবদুর রহমান বিশ্বাস
(মেয়াদকাল ০৯-১০-৯১ থেকে ০৯-১০-৯৬ ইং)
১৩) বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ
(মেয়াদকাল ০৯-১০-৯৬ থেকে ১৪-১১-০১ ইং)
১৪) এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
(মেয়াদকাল ১৪-১১-০১ থেকে ২১-০৬-০২ ইং)
১৫) ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার (অস্থায়ী)
(মেয়াদকাল ২১-০৬-০২ থেকে ০৬-০৯-০২ ইং)
১৬) অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহমদ
(মেয়াদকাল ০৬-০৯-০২ থেকে ১২-০২-০৯ ইং)
১৭) জিল্লুর রহমান
(মেয়াদকাল ১২-০২-০৯ থেকে ২০-০৩-১৩ ইং)
১৮) আবদুল হামিদ
(মেয়াদকাল ১৪-০৩-২০১৩ ইং থেকে বর্তমানে চলছে)

Admin
Masum

23/09/2014

বাংলাদেশের বিভাগ ও জেলাসমূহ

খুলনা বিভাগ
• বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, নড়াইল, সাতক্ষীরা

চট্টগ্রাম বিভাগ
• বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, রাঙামাটি

ঢাকা বিভাগ
• ঢাকা, ফরিদপুর, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, নেত্রকোনা, রাজবাড়ী, শরিয়তপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল

বরিশাল বিভাগ • বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর

রাজশাহী বিভাগ
• বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, নবাবগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ

রংপুর বিভাগ
• রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট

সিলেট বিভাগ
• হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, সিলেট

Masum Billah

23/09/2014

বিশ্বযুদ্ধ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (অপর নাম - প্রথম মহাযুদ্ধ) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সালের মধ্যে সংঘটিত হয় এবং তখন পর্যন্ত এটিই ছিল পৃথিবীর সর্ববৃহৎ যুদ্ধ।
১৯১৪ সালের ২৮ জুন বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভো শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফ্রানৎস ফার্ডিনান্ড এক সার্বিয়াবাসীর গুলিতে নিহত হন। অস্ট্রিয়া এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সার্বিয়াকে দায়ী করে এবং ওই বছরের ২৮ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ যুদ্ধে দুদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে। এভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) সূচনা হয়। তবে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ হত্যাকাণ্ডই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিল না। উনিশ শতকে শিল্পে বিপ্লবের কারণে সহজে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং তৈরি পণ্য বিক্রির জন্য উপনিবেশ স্থাপনে প্রতিযোগিতা এবং আগের দ্বন্দ্ব-সংঘাত ইত্যাদিও প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের কারণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একপক্ষে ছিল অস্ট্রিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া। যাদের বলা হতো কেন্দ্রীয় শক্তি। আর অপরপক্ষে ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেনে, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি ও আমেরিকা। যাদের বলা হতো মিত্রশক্তি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (ইংরেজি: World War II, Second World War, WWII, WW2)
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এযাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। তৎকালীন বিশ্বে সকলপরাশক্তি এবং বেশিরভাগ রাষ্ট্রই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং দুইটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়; মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি। এই মহাসমরকে ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্তৃত যুদ্ধ বলে ধরা হয়, যাতে ৩০টি দেশের সব মিলিয়ে ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ খুব দ্রুতএকটি সামগ্রিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং সামরিক ও বেসামরিক সম্পদের মধ্যে কোনরকম পার্থক্য না করে তাদের পূর্ণ অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। এছাড়া বেসামরিক জনগণের উপর চালানো নির্বিচার গণহত্যা, হলোকস্ট (হিটলার কর্তৃক ইহুদীদের উপর চালানো গণহত্যা), পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োগ প্রভৃতি ঘটনায় কুখ্যাত এই যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি থেকে সাড়ে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। এসব পরিসংখ্যান এটাই প্রমাণ করে যে এটাই পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম যুদ্ধ।[১]
পূর্ব এশিয়ায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের লক্ষে জাপান ইতিমধ্যেই ১৯৩৭ সালে প্রজাতন্ত্রী চীনে আক্রমণ করে।[২] পরবর্তীতে ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে এবং তার ফলশ্রুতিতে ফ্রান্স ওযুক্তরাজ্য জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। দ্বিতীয় ঘটনাটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা বলে গণ্য করা হয়। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪১ পর্যন্ত একনাগাড়ে বেশ কয়েকটি যুদ্ধ অভিযান পরিচালনা আর চুক্তি সম্পাদনার মাধ্যমে জার্মানি ইতালির সাথে একটি মিত্রজোট গঠন করে এবং ইউরোপ মহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল নিজের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে আনতে সমর্থ হয়। মলোটভ- রিবেনট্রপ চুক্তি অনুসারে জার্মানি আর সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের দখলিকৃত পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। এই সময় শুধু যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য ব্রিটিশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহ অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছিল (যেমন 'উত্তর আফ্ৰিকার যুদ্ধসমূহ’ আর বহুদিন ধরে চলা ‘আটলান্টিকের যুদ্ধ’)। ১৯৪১ সালের জুন মাসে ইউরোপীয় অক্ষশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করে যার ফলশ্রুতিতে সমর ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা বৃহৎ রণাঙ্গনের অবতারণা ঘটে। এই আক্রমণ অক্ষশক্তির সামরিক বাহিনীর একটা বড় অংশকে মূল যুদ্ধ থেকে আলাদা করে রাখে। ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরে জাপান অক্ষশক্তিতে যোগদান করে এবং প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় উপনিবেশগুলো আক্রমণ করে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পশ্চিম প্ৰশান্ত মহাসাগরের অধিকাংশ অঞ্চল জয় করতে সক্ষম হয়।
১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র মিত্রশক্তির সাথে যোগ দেয়। মূলত জার্মানি এবং জাপান দুই অক্ষশক্তিই যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণ করার মাধ্যমে একে যুদ্ধে ডেকে আনে। অপরদিকে চীনের সাথে জাপানের ছিল পুরাতন শত্রুতা; ১৯৩০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ চলছিল। এর ফলে চীনও মিত্রপক্ষে যোগদান করে। ১৯৪৫ সালে জার্মানি এবং জাপান উভয় দেশের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
এই যুদ্ধে নব্য আবিষ্কৃত অনেক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের। মহাযুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেই এই মারণাস্ত্র উদ্ভাবিত হয় এবং এর ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়েই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। সকল পুণর্গঠন কাজ বাদ দিলে কেবল ১৯৪৫ সালেই মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই যুদ্ধের পরপরই সমগ্র ইউরোপ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়; এক অংশ হয় পশ্চিম ইউরোপ আর অন্য অংশে অন্তর্ভুক্ত হয় সোভিয়েত রাশিয়া। পরবর্তীতে এই রাশিয়ান ইউনিয়নই ভেঙে অনেকগুলো ছোট ছোট রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল। পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হয় ন্যাটো আর সমগ্র ইউরোপের দেশসমূহের সীমান্তরেখা নির্ধারিত হতে শুরু করে। ওয়ারস প্যাক্টের মাঝে অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ নিয়ে দানা বেঁধে উঠে স্নায়ুযুদ্ধ। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বমঞ্চে অভিনব এক নাটকের অবতারণা করে।
সময়কাল ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ – ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ (৬ বছর, ১ দিন)

অবস্থান ইউরোপ, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া,চীন, মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকা, এছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তি (জার্মান ভাষায়: Achsenmächte, ইটালীয় ভাষায়: Potenze dell'Asse, জাপানী ভাষায়: 枢軸国 Suujikukoku, বুলগেরিয় ভাষায়: "Сили от Оста"), বলতে সেসব দেশকে নির্দেশ করা হয় , যারা মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। অক্ষশক্তির প্রধান তিনটি রাষ্ট্র হল জার্মানি, ইটালী এবং জাপান। এই তিনটি রাষ্ট্র ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে একটি সামরিক জোট গড়ে তোলে। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে অক্ষশক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর সাথে সাথে তাদের ইউরোপ, আফ্রিকা, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত কলোনিগুলোও অক্ষশক্তির অংশ হয়ে যায়। মিত্রশক্তির মতই অক্ষশক্তিতেও বেশ কিছু দেশ নাম লিখিয়ে যুদ্ধ চলাকালীন সময়েই তা প্রত্যাহার করে নেয়।[১]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মিত্র শক্তি বলতে সেসব দেশকে নির্দেশ করা হয়, যারা অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।[১] মিত্রশক্তির দেশগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল প্রত্যক্ষভাবে অক্ষশক্তির আগ্রাসনের কারণে অথবা অক্ষশক্তি কর্তৃক আক্রান্ত হতে পারে এমন ভয়ের কারণে।[২] ১৯৪১ সালের পরে যুক্তরাষ্ট্র,যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন এই তিন রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ, যারা একত্রে “বৃহৎ তিন” নামে পরিচিত ছিল, মিত্র শক্তি গঠন করে।[৩] পরবর্তীতে দু’টি বৃহৎ রাষ্ট্র ফ্রান্স এবং চীনমিত্রশক্তি তে যোগ দেয়।[৩][৪] এছাড়া আরও যে সব রাষ্ট্র মিত্র শক্তিতে যোগ দেয় তারা হল অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, কানাডা, চেকোস্লাভিয়া, ইথিওপিয়া, গ্রীস, ভারত, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস,নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, ফিলিপাইন কমনওয়েলথ, পোল্যান্ড এবং যুগোস্লাভিয়া।[৫] ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন ডিলানো রুজভেল্ট অক্ষশক্তিকে জাতিসংঘ নামে প্রচার করেন। তিনি বৃহৎ তিন এবং চীনকে একসাথে ট্রাস্টিশিপ অব পাওয়ারফুল নামে অভিহিত করেন, পরে যা ফোর পুলিশম্যান নামে পরিচিতি পায়।[৬] পরবর্তীতে ১৯৪২ সালে একটি ঘোষনার মাধমে বর্তমান জাতিসংঘের গোড়াপত্তন হয়।[৭] ১৯৪৫ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে পটসডাম সন্মেলনে রুজভেল্ট প্রস্তাব করেন চীন, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইউরোপের রাষ্ট্রসমূহে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার রূপরেখা প্রণয়ন করবে। যার মাধ্যমে পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী পরিষদ গঠিত হয়।[৮]
কারণ[সম্পাদনা]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবে এ নিয়ে একটি সাধারণ ধারণা রয়েছে যা অনেকাংশে গ্রহণযোগ্য। এই কারণটি যুদ্ধোত্তর সময়ে মিত্রশক্তির দেশসমূহের মধ্যে তোষণ নীতির মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায় যা নির্দেশক শক্তির ভূমিকা পালন করে যুক্তরাষ্ট্র এবংফ্রান্স। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি এবং জাপানের আধিপত্য ও সাম্রাজ্যবাদকে দায়ী করে এই কারণটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে যার বিস্তারিত এখানে উল্লেখিত হচ্ছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি তার সম্পদ, সম্মান এবং ক্ষমতার প্রায় সবটুকুই হারিয়ে বসে। এর সাম্রাজ্যবাদী চিন্তাধারার মূল কারণ ছিল জার্মানির হৃতঅর্থনৈতিক, সামরিক এবং ভূমিকেন্দ্রিক সম্পদ পুণরুদ্ধার করা এবং পুণরায় একটি বিশ্বশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা। এর পাশাপাশি পোল্যান্ড এবংইউক্রেনের সম্পদসমৃদ্ধ ভূমি নিয়ন্ত্রণে আনাও একটি উদ্দেশ্য হিসেবে কাজ করেছে। জার্মানির একটি জাতীয় আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর সম্পাদিত ভার্সাই চুক্তি হতে বেরিয়ে আসার। এরই প্রেক্ষাপটে হিটলার এবং তার নাজি বাহিনীর ধারণা ছিল যে একটি জাতীয় বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে সংগঠিত করা সম্ভব হবে।
যুদ্ধ শুরু[সম্পাদনা]
পোল্যান্ড যুদ্ধ[সম্পাদনা]

নাৎসি বাহিনীর পোল্যান্ড আক্রমণএর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নকে নিষ্ক্রিয় রাখার জন্য জার্মানী অনাক্রমণ চুক্তি করে। অন্যদিকে ব্রিটেন ও ফ্রান্স পোল্যান্ডের সাথে সহায়তা চুক্তি করে। ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর পোল্যান্ডঅভিযান শুরু হল। ৩রা সেপ্টেম্বর মিত্রবাহিনী জার্মানীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল এবং শুরু হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
প্রথম দিনই জার্মান ঝটিকা বাহিনী পোল্যান্ডকে ছিন্নবিছিন্ন করে দিল। ফরাসি ও ব্রিটিশ বাহিনী সাহায্য করবার সুযোগ পেল না। এটি পশ্চিমের বিশ্বাসভঙ্গতা হিসেবে পরিচিত। ১৭ই সেপ্টেম্বর গোপন সমঝোতা অনুসারে সোভিয়েত বাহিনীও আক্রমণেযোগ দিল। পরদিনই পোলিশ কর্তাব্যক্তিরা দেশ ছাড়লেন। ওয়ারস পতন হলো ২৭শে সেপ্টেম্বর। শেষ সেনাদল কক্ দূর্গে যুদ্ধ করে ৬ই অক্টোবর পর্যন্ত।
সোভিয়েত ফিনল্যান্ড যুদ্ধ[সম্পাদনা]
জার্মানী বনাম মিত্রপক্ষীয় যুদ্ধ চলাকালীন সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করে শীতকালীন যুদ্ধের সূচনা করল। এর আগেই লিথুনিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ায় সোভিয়েত সৈন্য প্রবেশ করে ক্ষতিপূরণসহ একটি অনুরূপ প্রস্তাবে ফিনল্যান্ড রাজী না হওয়ায় ৩০শে নভেম্বর ১৯৩৯ সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করল। ফিন লোকবল খুবই কম হলেও তাদের দেশরক্ষার ইচ্ছা ছিল অনেক বেশী। স্তালিন একটি নিজস্ব ঝটিকা যুদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। কিন্ত প্রতিটি ফ্রন্টে তার বাহিনী প্রতিহত হয়। ১৪ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে বহিষ্কার করা হলো।
নতুন বছরের ২রা ফেব্রুয়ারি থেকে সোভিয়েত বিমান, ট্যাঙ্ক ও স্লেজবাহিত সেনাবাহিনী একযোগে ফিনদের প্রতিরক্ষা রেখায় আক্রমণ চালানো শুরু করে। ১৫ দিন পর অবশেষে তারা একটি ফাঁক তৈরি করতে পারল। ফলে যুদ্ধের ভাগ্য পরিষ্কার হয়ে গেল। ৬ই মার্চ ১৯৪০ ফিনল্যান্ড শান্তির জন্য আবেদন করল। সার্বভৌমত্ব রক্ষা পেলেও সোভিয়েত ইউনিয়নের আগের দাবী অনুযায়ী লেলিনগ্র্রাদের কাছাকাছি বেশকিছু এলাকার মালিকানা ছেড়ে দিতে হয় ফিনল্যান্ডকে। এ যুদ্ধে ২ লক্ষ ফিন সৈন্যের মধ্যে ৭০ হাজার সৈন্য মারা যায়। যুদ্ধ থেকে স্তালিনের সেনাদল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শিক্ষা লাভ করলো। অন্যদিকে সোভিয়েত শক্তি সম্পর্কে হিটলারের ভ্রান্ত নিম্ন-ধারণা তৈরি হয়-যা পরবর্তীতে জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণে প্রভাব ফেলে।
নরওয়ে ও ডেনমার্ক[সম্পাদনা]
নরওয়ে বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তার ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য। সুইডেনের কিরুনা খনি থেকে গরমকালে বাল্টিক সাগর দিয়ে এবং শীতকালে নরওয়ের বরফমুক্ত নারভিক বন্দর ও নরওয়ের রেলপথ দিয়ে লোহা চালান যেত জার্মানীতে। প্রথমে হিটলার নরওয়েকে নিরপেক্ষ থাকতে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ওদিকে মিত্রপক্ষ নারভিকের ঠিক বাইরের সমুদ্রে মাইন পেতে রাখার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনাটি ফাঁস হয়ে গেলে হিটলার ফ্রান্স আক্রমণের ইচ্ছা স্থগিত রেখে নরওয়ে অভিযানের নির্দেশ দিল।১৯৪০ সালের ৯ই এপ্রিল একই সাথে নরওয়ে ও ডেনমার্কে আগ্রাসন শুরু হল সুইডেনের সাথে যোগাযোগের সুবিধার্থে ।
একদিকে নারভিকসহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলি দখল করে নিল জার্মান বাহিনী। অন্যদিকে বিমানবন্দরগুলিতে অবতরণ করলো প্যারাশ্যুট বাহিনী। এরপর বিমানবন্দর দখল করে সেখান থেকে অতর্কিতে শহরে প্রবেশ করলো জার্মান সেনা। ডেনমার্ক বিনাবাধায় আত্মসমর্পণ করলেও নরওয়ে লড়াই করতে লাগলো। ১৪ই এপ্রিল মিত্রবাহিনী নামলো নরওয়েতে। কিন্ত মে মাসেই পিছু হটলো তারা। নারভিকে জার্মানরা পাঁচগুণ বেশী শত্রুর সাথে লড়াই চালিযে যাচ্ছিল ২৭শে মে পর্যন্ত। কিন্ত ততদিনে ফ্রান্সের পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠায় মিত্রসৈন্যদের ফিরিয়ে নিতে হল নরওয়ে থেকে। নরওয়ে বাহিনী আত্মসমর্পণ করলো এবং রাজা সপ্তম হাকোন ব্রিটেনে আশ্রয় নিলেন। জার্মানীর জন্য নরওয়ে আর্কটিক সাগর এবং ব্রিটেনের নিকটবর্তী একটি দরকারী নৌ ও বিমান ঘাঁটি হিসেবে কাজে দিল।
ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ[সম্পাদনা]
১০ই মে ১৯৪০ একসাথে চারটি দেশ আক্রমণ করে জার্মানী। ফরাসিরা ভেবেছিল আক্রমণ আসবে ফ্রান্স জার্মানী সীমান্তের রণরেখা ম্যাগিনোট লাইনের ওপর। অথবা বেলজিয়ামের ভিতর দিয়ে আরদেন হয়ে। তারা ভেবেছিল জার্মানীর প্যানজার বাহিনী আরদেনের জঙ্গল ভেদ করে আসতে পারবে না। ১৪ই মে নেদারল্যান্ডের পতন ঘটলো। ১৪ই মে আরদেন থেকে জার্মান বাহিনী বেরিয়ে এসে দিশেহারা মিত্র সেনাদের ছিন্নবিছিন্ন করে প্রবল বেগে এগোতে থাকল। ডানকার্ক বন্দর দিয়ে তড়িঘড়ি ফরাসি ও ব্রিটিশ অভিযানবাহিনীর সেনা পশ্চাদপসরণ শুরু হলো। ২৬শে মে থেকে ৪ঠা জুন ইতিহাসের বৃহত্তম সেনা অপসারণের কাজ শেষ হলো। তবে ফেলে আসতে হলো বেশীরভাগ যন্ত্রাদি। এরমাঝে ২৭শে মে বেলজিয়ামের পতন হলো।
১০ই জুন ইতালিও যুদ্ধ ঘোষণা করল। তবে তারা আক্রমণ শুরু করে ২০শে জুন থেকে। ফরাসি সরকার প্রথমে তুর ও পরে বোর্দোতে সরে গেল। ১৪ই জুন প্যারিসের পতন ঘটল। ১৬ই জুন প্রধানমন্ত্রী রেনো পদত্যাগ করলেন ও তার বদলে এলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নায়ক পেত্যাঁ। ২২শে জুন জার্মান-ফরাসি এবং ২৪শে জুন জার্মান-ইতালীয় শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফ্রান্সের বেশিরভাগ এলাকা জার্মানী নিয়ে নেয়। অল্প কিছু জায়গা জুড়ে পেঁত্যা একটি নিরপেক্ষ কিন্তু জার্মানীর প্রভাবাধীন সরকার গঠন করেন। এটি ভিশি ফ্রান্স নামে পরিচিত হয়।
বাল্টিক অঞ্চল[সম্পাদনা]
পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের জন্য রুমানিয়ার প্লোইস্তি তেলের খনি হিটলারের প্রয়োজন ছিল। ১৯৪০ সালে জার্মানী-রুমানিয়া তেল-অস্ত্র চুক্তি হল। হাঙ্গেরি ও রুমানিয়ার মতবিরোধ ঘটায় জার্মানী মধ্যস্থতা করে। রুমানিয়ার জনগণ এতে আন্দোলন শুরু করায় রাজা ২য় ক্যারল ছেলে মাইকেলের কাছে মুকুট হস্তান্তর করলেন ও সেনাপ্রধান আন্তনেস্কু জার্মান সেনা আহ্বান করলেন। ১২ই অক্টোবর ১৯৪০ বুখারেস্টে জার্মান সৈন্য অবতরণ করে। এতে কুটনৈতিক ভুল বোঝাবুঝির কারণে বিরক্ত মুসোলিনি ২৮শে অক্টোবর, ১৯৪০ খ্রীষ্টাব্দে আলবেনিয়া থেকে গ্রীস আক্রমণ করলেন। কিন্তু গ্রীকরা যে শুধু প্রতিহত করল তাই না, উল্টো ডিসেম্বরের মধ্যে আলবেনিয়ার এক-তৃতীয়াংশ দখল করে ফেলল। উপরন্তু ক্রীটে ব্রিটিশ সৈন্য নামল। তুরস্কও সৈন্যসমাবেশ করে রাখল। আপাত-নিরপেক্ষ বুলগেরিয়া এবং যুগোস্লাভিয়াও বেঁকে বসল।
হিটলার দ্রুত হাঙ্গেরি, রুমানিয়া ও স্লোভাকিয়াকে অক্ষচুক্তিতে টেনে নিল। বুলগেরিয়ায় জার্মান সৈন্য নামল ২রা মার্চ। যুগোস্লাভিয়ার যুবরাজ পল অক্ষে যোগ দিলেন ২৭শে মার্চ। দু'দিন পর জেনারেল সিমোভিচের নেতৃত্বে রাষ্ট্রবিপ্লব ঘটে এবং সিংহাসনে আরোহন করেন ১৭ বছর বয়সী রাজা ২য় পিটার। রাষ্ট্রীয় নীতিরও পরিবর্তন ঘটে। ৬ই এপ্রিল একই দিনে আকাশ থেকে বোমাবর্ষণ এবং বুলগেরিয়া ও অস্ট্রিয়া দিয়ে সৈন্য পাঠিয়ে জার্মানী গ্রিস ও যুগোস্লাভিয়া আক্রমণ করল। ১৭ই এপ্রিল যুগোস্লাভিয়া ও ২২শে এপ্রিল গ্রিস আত্মসমর্পণ করে। এরপর ক্রীট দখল করা হয়। যুগোস্লাভিয়াকে খন্ড-বিখন্ড করে অক্ষশক্তিরা ভাগ করে নেয়। তবে পুরো যুদ্ধ জুড়ে দ্রজা হিমাজলোচির নেতৃত্বে সেন্টিক দল এবং জোসেফ টিটো'র নেতৃত্বে কমিউনিস্ট দল গেরিলা আক্রমণ চালিয়ে যায়।
Montreal Daily Star: "Germany Quit", May 7, 1945
সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে এ সময়ে অগণিতসংখ্যক লোক শরণার্থী হয়েছিলেন। যুদ্ধ শেষে একমাত্র ইউরোপেই ৪০ মিলিয়নেরও অধিক লোক শরণার্থী ছিল।[৩] ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি জাতিসংঘ ত্রাণ ও পুণর্বাসন প্রশাসন (ইউএনআরআরএ) গঠন করে। যার প্রধান কাজ ছিলদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির নিয়ন্ত্রণাধীন দেশসহ ইউরোপ ও চীন থেকে আগত শরণার্থীদেরকে সহায়তা করা। তাদের নিয়ন্ত্রণে ও প্রত্যক্ষ সহায়তায় ৭ মিলিয়ন লোক নিজ বাসভূমিতে ফিরে যায়। কিন্তু উদ্বাস্তু এক মিলিয়ন লোক মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়।
বিশ্বযুদ্ধের শেষ মাসে প্রায় পাঁচ মিলিয়ন জার্মান বেসামরিক নাগরিক পূর্ব প্রুশিয়া, পোমারানিয়া এবং সিলেসিয়া রাজ্য থেকে রেড আর্মির প্রচণ্ড আক্রমণের হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে ম্যাকলেনবার্গ, ব্রান্ডেনবার্গ এবং স্যাক্সনিতে উদ্বাস্তুহিসেবে আশ্রয় নেয়।
পটসড্যাম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত মিত্রশক্তি অনুমোদন না করায় যুগোস্লাভিয়া এবংরোমানিয়ায় অবস্থানরত হাজার হাজার জাতিগত জার্মানদেরকে সোভিয়েত ইউনিয়নে দাস শ্রমের জন্য ফেরত পাঠানো হয়। বিশ্বের ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বেশী শরণার্থী স্থানান্তর প্রক্রিয়া। ১৫ মিলিয়ন জার্মানদের সবাই এতে অন্তর্ভূক্ত ছিলেন। এছাড়াও, দুই মিলিয়নেরও অধিক জার্মান বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে বিতাড়িত হয়ে প্রাণ হারান।

Collected

Masum Billah

23/09/2014

শতবর্শেপার নামা খাল
পানামা খাল (স্পেনীয়: Canal de Panamá) জাহাজ চলাচলের জন্য পানামা প্রজাতন্ত্রের ইস্থমাসে নির্মীত একটি খাল যা আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ইস্থমাস বলতে দুটো বড় ভূখণ্ডকে সংযোগকারী সরু ভূমিকে বোঝায় যার অন্য দুই পাশে সাধারণত পানি থাকে। পানামার ইস্থমাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে যুক্ত করে এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে আলাদা করে রাখে। এই খালটি তাই এক অর্থে মহাদেশ দুটিকে আলাদা করে মহাসাগর দুটিকে যুক্ত করেছে। খালটির মালিক ও পরিচালক হচ্ছে পানামা প্রজাতন্ত্র। পশ্চিম উপকূল থেকে পূর্বের উপকূল পর্যন্ত হিসাব করলে খালটির দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার (৪০ মাইল), কিন্তু আটলান্টিকের (আরও ঠিক করে বললে ক্যারিবীয় সাগরের) গভীর জল থেকে প্রশান্তের গভীর জল পর্যন্ত হিসাব করলে ৮২ কিলোমিটার (৫০ মাইল)। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জাহাজ চলাচলকারী কৃত্রিম খালের একটি, অন্যটি হচ্ছে সুয়েজ খাল। পানামা খাল না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব থেকে পশ্চিম উপকূল অভিমুখে যাত্রাকারী যেকোন জাহাজকে দক্ষিণ আমেরিকার কেইপ হর্ন হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে অতিরিক্ত ১৫ হাজার কিলোমিটার (৮ হাজার নটিক্যাল মাইল) পথ অতিক্রম করতে হতো। এছাড়া উত্তর আমেরিকার এক দিকের উপকূল থেকে দক্ষিণ আমেরিকার অন্য দিকের উপকূলে যাওয়ার ক্ষেত্রেও পানামা খালের কারণে ৬৫০০ কিলোমিটার কম পথ পাড়ি দিতে হয়। ইউরোপ এবং পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যাতায়াতকারী জাহাজেরও প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার পথ বেঁচে যায়।[১]
(Collected)
ধন্যবাদ
মাসুম

Address

Barishal
Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creative for PSC, Bank & All Others Competative Exams posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Creative for PSC, Bank & All Others Competative Exams:

Share