Eazy Adz

Eazy Adz Eazy Adz is an Advertising Agency in Bangladesh. You can run your ads through us. Call for Details:
+8801611112533 or
+8801611112536

ফেসবুকে এড বুস্ট করা এখন অনেক প্যারাময় হয়ে উঠেছে। নানামুখী সমস্যা এবং বাধা লেগেই আছে। আজ আমি নতুন দুইটা সমস্যা ফেস করেছি...
09/11/2020

ফেসবুকে এড বুস্ট করা এখন অনেক প্যারাময় হয়ে উঠেছে। নানামুখী সমস্যা এবং বাধা লেগেই আছে। আজ আমি নতুন দুইটা সমস্যা ফেস করেছি সেটাই এখানে শেয়ার করছি।
প্রথম এড অ্যাকাউন্ট এর স্টাটাস
আমার এই এড অ্যাকাউন্ট এর বয়স ১ বছরের বেশি হলেও সেটা খুব একটা ব্যবহার করতাম না। এটার বিলিং থেরাসহোল্ডে পৌঁছে যায় কাল রাত ১১ টার দিকে। প্রাইমারী পেমেন্ট মেথড থেকে পেমেন্ট যে কোন কারণেই হোক ডিকলাইন করে তাই সেকেন্ডারি পেমেন্ট মেথড থেকে বিল কেটে নেয়। পরে চেক করে দেখলাম বিলিং থেরাসহোল্ড ১০ ডলার বাড়িয়েছে। আজ সকালে ফজরের নামাজের পর এড অ্যাকাউন্ট চেক করেছিলাম, সব ঠিকই ছিল। পরবর্তীতে সকাল ৮ টার দিকে চেক করতে যেয়ে দেখি এড অ্যাকাউন্ট এরর দেখাচ্ছে। ভাল করে চেক করে দেখি যে দুইটা পেমেন্ট মেথড লাগানো ছিল সে গুলো রিমুভ করা। এর পর নতুন করে আবার পেমেন্ট মেথড এড করলাম। অ্যাকাউন্ট আবার একটিভ হয়ে গেল। তবে এবার কার্ড এড করার সময় কোড ভেরিফিকেশন চেয়েছিল। আগে এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন কখনই হইনি।খেয়াল করে দেখুন ফেসবুক বিলের টাকা কেটে নেয়ার পরও কার্ড অটো রিমুভ করে অ্যাকাউন্ট এরর করে দিয়েছিল।
দ্বিতীয় এড অ্যাকাউন্ট এর স্টাটাস
এই এড অ্যাকাউন্ট টা বেশ পুরাতন। বয়স প্রায় ২.৫ বছরের মত। আমাউন্ট খরচ করা আছে বেশ মোটা অংকের। এই অ্যাকাউন্ট এর প্রাইমারি কার্ড লাগিয়েছিলাম ১ মাস আগে আর সেকেন্ডারি কার্ড লাগান হয়েছিল ২.৫ বছর আগে। এই এক মাসে অনেক ট্রানজেকশন করা হয়েছে কোন সমস্যা হয়নি। এই অ্যাকাউন্ট এর মাসিক বিলিং তারিখ ছিল ৮ই নভেম্বর। বিল কেটে নেয়ার সময় ফেসবুক ইদানিং সমস্যা করে তাই আগের দিন ম্যানুয়াল পে করে ডিউ বিল জিরো করেছিলাম। চলমান এডের মেয়াদও ঐ ভাবেই সেট করা ছিল যাতে করে বিলিং তারিখের আগেই বুস্ট শেষ হয়ে যায়। ডিউ পেমেন্ট যেহেতু জিরো ছিল তাই এই অ্যাকাউন্ট থেকে বিল কেটে নেয়ার প্রশ্নই আসে না। ফজরের নামাজের সময় চেক করে দেখেছিলাম এড অ্যাকাউন্ট একটিভ ছিল কিন্তু সকাল ৮ টার দিকে দেখি অ্যাকাউন্ট এরর। এর সঙ্গে যে সব কার্ড লাগানো ছিল সব রিমুভ করা। যে কার্ড ২.৫ বছর আগে এড করা ছিল সেটা আবার লাগালাম। কার্ড এড হলো। অ্যাকাউন্ট একটিভ হয়ে গেল। কিন্তু এমনটি হবার কথা নয়।
ফেসবুক বুস্টে এখন টালমাটাল অবস্থা। আইডি রেস্টিকটেড করছে, পেজ রেস্ট্রিকটেড করছে, এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে, পেমেন্ট মেথড সাসপেন্ড বা রিমুভ করে দিচ্ছে। আপিল করলেও দ্রুত উত্তর পাওয়া যায় না। তাই এখন নানা সমস্যা, নানা প্যারা নিয়েই ফেসবুকের এড বুস্ট চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

ফেসবুক বুস্টে চলছে নতুন বাটপারি। অবশ্য এটা একদম নতুন নয়। আগে কুপনের ডলার শেষ হবার পর চলত এই বাটপারি। আর এখন চলে কুপনের এ...
09/11/2020

ফেসবুক বুস্টে চলছে নতুন বাটপারি। অবশ্য এটা একদম নতুন নয়। আগে কুপনের ডলার শেষ হবার পর চলত এই বাটপারি। আর এখন চলে কুপনের এড অ্যাকাউন্ট এর বিলিং থেরাসহোল্ড দিয়ে অথবা নতুন একটা এড অ্যাকাউন্ট খুলেও এই বাটপারি চলতে পারে। তার আগে আমরা একটু জেনে নিই ফেসবুক এড কুপন কি? এটা নিয়ে আমার একটা বড় ধরনের লেখা আছে সম্ভব হলে পড়ে নিবেন। খুব ছোট আকারে বলি ফেসবুক তাদের নতুন ব্যবহারকারীদের কে প্রমোশনাল উপহার হিসেবে এড কুপন দিয়ে থাকে যেটার মাধ্যমে বিনামূল্যে ফেসবুকে বা ইন্সটাগ্রামে এড দেয়া যায়। এটার অফিসিয়াল নাম এড ক্রেডিট। ৫ এবং ১০ ডলার মুল্যমানের এড কুপন এক সময় বেশি দিত। এই কুপন গুলো রিডিম বা ব্যবহার উপযোগী করার জন্য একটা পেমেন্ট মেথড বা কার্ড লাগাতে হত। এই ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল কার্ড লাগিয়ে কুপনগুলো রিডিম করা হত। এই কার্ডগুলো তে মুলত কোন ব্যালেন্স থাকত না, থাকলেও খুব কম থাকত। ১লা অক্টোবর থেকে ফেসবুক কুপন দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এখন আর কুপন পাওয়া যায় না। তবে বাটপারি তো আর থেমে নেই। আমার কাছে অনেকেই অভিযোগ করেছে ২ ডলার করে বুস্ট মেরে বাটপারি চলছে।
কীভাবে বাটপারি হয়?
কুপনের ডলার ব্যবহার করা শেষ হয়ে গেলে ফেসবুক আরও ২ ডলার ব্যবহার করার সুযোগ দেয় বুস্ট করার জন্য। এটাকে বলা হয় বিলিং থেরাসহোল্ড। একটা এডের বিল যখন ২ ডলার বা বিলিং থেরাসহোল্ডে পৌঁছে যায় তখন অটোমেটিকভাবে বিল কেটে নেয়ার কথা কার্ড থেকে। যেহেতু কার্ডে ব্যালেন্স থাকে না তাই সেই পেমেন্ট টা ডিক্লাইন হয়। এতে করে ঐ পেজের বিল ডিউ থেকে যায়। আর বিল ডিউ থেকে গেলে সেটা অন্য কোন অ্যাকাউন্ট থেকে আর পরিশোধ করার ব্যবস্থা নেই। ডিউ পরিশোধ করতে হলে ঐ এড অ্যাকাউন্ট এ নতুন আরেক টা ভ্যালিড কার্ড লাগিয়ে তা পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু যারা বাটপারি করে ডিউ ফেলায় তাদের নিকট থেকে কখনই ডিউ পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন না।
কীভাবে বুঝবেন বাটপারি হচ্ছে?
যারা বাটপারি করে তারা অনেক কম রেটে বুস্ট সার্ভিস দেয়ার জন্য অফার দেয়। তারা এখন ২ ডলারের বেশি বুস্ট করতে পারে না। ২ ডলার খরচ হলে তারা বলবে অ্যাকাউন্ট এর সমস্যা। এর পর তারা অন্য আরেক টা অ্যাকাউন্ট থেকে আবার ২ ডলারের বুস্ট দিবে। এমনিভাবেই চলে তাদের বুস্ট সার্ভিস। কখনও তারা বুস্ট করতে পারে আবার কখনও পারে না। অনেক সময় ফেসবুক তাদের বুস্ট করা এড আপ্রুভ করে আবার এড রিজেক্ট করে দেয়। তবে তাদের ২ এর ঘরের নামতা চলতেই থাকে। তাদের কে যদি বলা হয় পেমেন্ট প্রুফ দিন তখন তারা সেটা দিতে পারবে না।
বিল ডিউ থাকলে কি পেজের ক্ষতি হয়?
ফেসবুকের পেমেন্ট ডিউ থাকলে পেজের নানা রকম ক্ষতি হতে পারে। যেমন – ফেসবুক পেজকে এড রেস্ট্রিকটেড করে দিতে পারে। এতে করে আপনি ঐ পেজের কোন পোস্ট বুস্ট করতে পারবেন না। পেজের রিচ এবং ভিউ কমে যেতে পারে। পেজের এড আপ্রুভ নাও হতে পারে।
আপনার কাছে আপনার বিজনেস পেজ অতি মুল্যমান। এটাকে কখনই নস্ট হতে দিবেন না। তাই কোন এজেন্ট বা ব্যক্তির নিকট থেকে বুস্ট সার্ভিস নেয়ার সময় তাদের ব্যাপারে ভাল করে খোঁজ খবর নিয়ে বুস্ট করুন। তাদের ব্যবসায়িক সুনাম দেখুন। রিয়াল আইডি ব্যবহার করে বুস্ট করে কিনা, পেমেন্ট মেথড ভ্যালিড কিনা এসব দেখে নিন। প্রয়োজনবোধে পেমেন্ট প্রুভ এর স্ক্রিনশট চেয়ে নিন। বাটপারের ফাঁদে যেন পা না পড়ে সে ব্যাপারে এখনই সাবধান হোন।

ফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে এখন ১০ বার ভেবে চিন্তে তারপর বুস্ট করতে যাবেন। এখন আর সেই আগের মত অবস্থা নেই। ফেক আইডি ব্যবহা...
09/11/2020

ফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে এখন ১০ বার ভেবে চিন্তে তারপর বুস্ট করতে যাবেন। এখন আর সেই আগের মত অবস্থা নেই। ফেক আইডি ব্যবহার করে বুস্ট করতে যাবেন না। পেমেন্ট মেডথ যেন ভ্যালিড থাকে সেই দিকেও খেয়াল রাখবেন। কোন ভাবে পা পিছলে গেলে এইগুলো ব্যাক পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। কাল রাতে আমাকে একজন তার একটা এড অ্যাকাউন্ট এডমিন করে সেটা শেয়ার করে দিয়েছিল। পেমেন্ট মেথড তার এড করা ছিল। সেটাতে কাল রাতেই আমি ৩ টা এড বুস্টে দিয়েছিলাম। সবগুলো এড আপ্রুভ হবার পর রান করছিল। আজ সকালে চেক করে দেখি সব ঠিক আছে। তাই আজ সকালে আরও ২ টা এড বুস্টে দিলাম। এড চলে গেল রিভিউ তে। একটু পর দেখলাম অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিয়েছে। ডিউ পেমেন্ট যা ছিল সেটাও কেটে নিল। তখনও রিভিউ করার লিঙ্ক আসেনি।
ঘণ্টাখানেক পর চেক করে অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করার নোটিফিকেশন পেলাম যেটাতে কারণ হিসেবে জানাল সন্দেহজনক আচরণের কারণে অ্যাকাউন্ট ডিস-অ্যাবালড করে দিয়েছে। এবার রিভিউ করার জন্য লিঙ্ক ক্লিক করলাম। সেখানে কিছু প্রশ্ন ছিল। যেমন এই অ্যাকাউন্ট এর মালিক আমি কিনা। যেহেতু আমার এডমিন রোল ছিল তাই জানিয়ে দিলাম আমিই মালিক। এর পর তারা স্পাম চেক করল। মানে আমি মানুষ নাকি রোবট। এরপর ইমেইল আইডি সেট করে কোড ভেরিফিকেশন করল। সবশেষে চাইল ছবিযুক্ত আইডি। সেটাও আমি সাবমিট করলাম। এই ধরণের আপিল করলে সাধারণত সাপোর্ট ইনবক্সে একটা মেসেস চলে আসে, এবার সেটা পাইনি। তবে তারা জানিয়ে দিয়েছিল ভেরিভাই করার পর সব ঠিক থাকলে অ্যাকাউন্ট একটিভ করে দিবে। সবকিছু সাবমিট করার পর অপেক্ষায় ছিলাম ওদের নিকট থেকে কোন মেসেস আসে কিনা, কিন্ত না মেসেস পাইনি। ঘণ্টা খানেক পর আবারও অ্যাকাউন্ট চেক করলাম এবার দেখলাম অ্যাকাউন্ট একটিভ। অফ হয়ে যাওয়া সব এড একটিভ হয়েছে। এখন অনেক ভাল লাগছে।
আমার কাছে মনে হচ্ছে নতুন এড অ্যাকাউন্ট কে ফেসবুক ভালভাবেই নজরদারিতে রাখে। তাই প্রথমদিকে বেশি এড বুস্ট করতে যাবেন না। প্রতিটা পেমেন্ট কেটে নেবার পর এডের পরিমাণ একটু একটু করে বাড়িয়ে দিতে পারেন। যে কোন সময় নতুন এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিয়ে ভেরিফিকেশন করতে পারে। তাই হাতের কাছেই ইমেইল আইডি, ছবিযুক্ত আইডি রাখুন। ফেসবুক প্রফাইলের সঙ্গে যেন ছবিযুক্ত আইডি এর নাম অনেকাংশে মিল থাকে সেটাও খেয়াল রাখবেন।

09/11/2020
আমাদের অনেকেই ফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে মাঝে মধ্যেই এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ বা অকার্যকর হয়ে যায়। যারা অন্যের কার্ড এড অ্যাক...
09/11/2020

আমাদের অনেকেই ফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে মাঝে মধ্যেই এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ বা অকার্যকর হয়ে যায়। যারা অন্যের কার্ড এড অ্যাকাউন্ট-এ যুক্ত করে এড বুস্ট করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা হয়, Unusual Activity দেখিয়ে ফেসবুক সাময়িকভাবে এড অ্যাকাউন্ট অকার্যকর করে দেয়। এতে করে চলমান সব এড থেমে যায়। এই ক্ষেত্রে ফেসবুক এড অ্যাকাউন্ট-এ একটা নোটিফিকেশন দেখায় “We noticed some unusual activity on your account, so we temporarily disabled it to protect your personal and financial info. To let us know it's you, please confirm your account”.
এড অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ফ্লাগ করে কেন?
বিলিং ইস্যুর কারণে ফেসবুক এমনটি করে থাকে। ব্যক্তিগত এবং আর্থিক নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ফেসবুক এটা করে। অনেক সময় কেউ যেন অন্যের কার্ড এর ইনফো চুরি করে বা হ্যাক করে বুস্ট করতে না পারে তা প্রতিরোধ করতে ফেসবুক এড অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে অকার্যকর করে দেয়।
অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হলে কী করবেন?
যদি আপনার এড অ্যাকাউন্ট Unusual Activity এর কারণ দেখিয়ে অকার্যকর করে দেয় তাহলে নোটিফিকেশনের টেক্সট এর মধ্যে আপিল করার লিঙ্ক পেয়ে যাবেন। লিঙ্কে ক্লিক করে রিভিউ এর জন্য আপিল করুন। এই ক্ষেত্রে ফেসবুক আপনার পেমেন্ট মেথডের ভেরিফিকেশন করতে চাইবে। আপিল করার পর অনেক সময় বিলিং এর ডকুমেন্টস চাইতে পারে। সেই ক্ষেত্রে ব্যাংক বা কার্ড ইস্যকারী প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত বিলিং বিবরণীর স্ক্রিনশট তাদের কাছে এটাচড করে দিন। ভেরিফিকেনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর ফেসবুক এড অ্যাকাউন্ট রি-একটিভ করে দেয়।
বাঁচার উপায় কী?
আমার অভিজ্ঞতা থেকে খেয়াল করেছি কার্ড হোল্ডার নিজেই যদি ম্যানুয়ালি বিল পে করে দেয় তা হলে সেই বিল পে হয়ে যায়। ফেসবুক ঝামেলা করে না। কিন্তু বিলিং তারিখে ফেসবুক যখন অটোমেটিক বিল কেটে নেয় তার পরপরই Unusual Activity ইস্যু দেখিয়ে ফেসবুক সেই অ্যাকাউন্ট কে সাময়িক ভাবে অকার্যকর করে দেয়। ফেসবুক দুইভাবে অটোমেটিকভাবে বিল কেটে নেয়। মাসের একটা নির্দিষ্ট তারিখে যেটাকে বলে মাসিক বিল। আবার বিলিং থেরাসহোল্ড এর সময়। এই দুইটা তারিখ সবার এক রকম হয় না। কীভাবে এই ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে পারেন তার একটা টিপস নিচে দিলাম।
১। আপনার বিলিং তারিখ গুলো নোট করে রাখুন।
২। এমনভাবে এড সেট করুন যেন বিলিং তারিখের আগেই তার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
৩। বিলিং তারিখের আগেই আপনার ডিউ ম্যানুয়ালি পে করে দিন এবং ডিউ আমাউন্ট জিরো করুন।
৪। যিনি পেমেন্ট মেথড অ্যাকাউন্ট এর সংগে এড করেছেন সেই এডমিন কে দিয়ে ম্যানুয়ালি ডিউ পে করান। অন্য এডমিন এই কাজটি করলে অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিতে পারে।
৫। বিলিং ডেট পার হয়ে গেলে আবার এড সেট করে বুস্ট করুন। পরবর্তীতে একইভাবে ম্যানুয়ালি বিল পে করুন।
একটা এড অ্যাকাউন্ট অকার্যকর হওয়া মানেই হল চলমান সব এড থেমে যাওয়া। আপিল করে সেটা রি-একটিভ করে দিবে কিনা তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। আবার রি–একটিভ হতেও ২ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে। এতে করে আপনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। ইদানিং ফেসবুক ঘন ঘন এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে। সেটার পিছনে যেমন কারণ থাকে আবার বিনা কারণেও শুধু সিস্টেমের ভুলের কারণে এমনটি হতে পারে। তাই সাবধানে এড অ্যাকাউন্ট এর বিলিং ইস্যু দেখভাল করুন।

ফেসবুক তাদের এড পলিসি ভঙ্গ করলে এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ বা অকার্যকর করে দেয়। কিন্তু একটা এড অ্যাকাউন্ট এ কোন রানিং এড নেই তা...
09/11/2020

ফেসবুক তাদের এড পলিসি ভঙ্গ করলে এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ বা অকার্যকর করে দেয়। কিন্তু একটা এড অ্যাকাউন্ট এ কোন রানিং এড নেই তারপরও কি সেটা ফ্লাগ করে দিতে পারে? এর উত্তর হলো হ্যাঁ করে দিতে পারে। আমার কাজের অভিজ্ঞতা এবং এই সংক্রান্ত কিছু ঘটনাপ্রবাহ নিচে তুলে ধরলাম।
ঘটনাপ্রবাহ -১
আমার এক বন্ধুর একটা পার্সোনাল এড অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল ২ বছর আগে। সে ছিল আমেরিকা প্রবাসি। সেটা থেকে আবার ৫ টা বিজনেস ম্যানেজার খোলা হয়েছিল। আমাকে সবগুলো অ্যাকাউন্ট এর এডমিন এক্সেস দেয়া হয়েছিল। আমি শুধু বিজনেস ম্যানেজারগুলো ব্যবহার করতাম। যার ফলে পার্সোনাল এড অ্যাকাউন্ট পারকিং অবস্থায় ছিল, সেটা আর কখনই ব্যবহার হয়নি বা সেটা থেকে বুস্ট করিনি। ৬ মাস যাবার পর একদিন দেখলাম পার্সোনাল এড অ্যাকাউন্ট টা অকার্যকর করে দিয়েছে। আমি তো হতভম্ভ। যেটা থেকে কখনই এড দেয়া হয়নি সেটা আবার অকার্যকর হয় কেমনে। এটার রিভিউ এর জন্য আপিল করলাম কিন্তু সেই অ্যাকাউন্ট রি-একটিভ করে দেয়নি। আমার বন্ধুকে দিয়েও আপিল করিয়েছিলাম সেটাও গ্রহণ করেনি। এর পর আমি ফেসবুকের প্রতিনিধির সঙ্গে লাইভ চ্যাট করলাম এই বিষয়টা নিয়ে তখন তারা জানালো কোন এড অ্যাকাউন্ট খুলে ১৮০ দিনের মধ্যে ব্যবহার না করলে তা অকার্যকর করে দেয়া হয়।
ঘটনাপ্রবাহ -২
এটা ঘটেছিল বছর দেড়েক আগে। আমার একটা বিজনেস ম্যানেজার কিছুদিন ব্যবহার করার পর সেটা পারকিং অবস্থায় রেখেছিলাম। হঠাৎ করে তিন মাস যাবার পর দেখি সেটা অকার্যকর করে দিয়েছে। যে অ্যাকাউন্ট ৩ মাস ধরে ব্যবহার করা হয়নি, যেটাতে রানিং কোন এড ছিল না সেটা আবার কীভবে ফ্লাগ হল। আপিল করার পরও সেটা রি-একটিভ করে দেয়নি। পরে ফেসবুকের প্রতিনিধির সঙ্গে লাইভ চ্যাট করলাম। ওরা চেক করে জানাল ভায়োলেশন ছিল। কিন্ত কি ধরনের ভায়োলেশন ছিল সেটা তারা আমাকে জানায়নি। শুধু এ টুকুই জানলাম রানিং এড না থাকলেও অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হতে পারে। সেটা হয়তবা আগের কোন ভায়োলেশন এর জন্য হতে পারে। আবার এমনও হতে পারে নিরাপত্তাজনিত কারণে ফেসবুক সেই অ্যাকাউন্ট অকার্যকর করে দিয়েছিল।
ঘটনাপ্রবাহ -৩
এটা বছর তিনেক আগের ঘটনা। একই দিনে ফেসবুক আমার ৪ টা এড অ্যাকাউন্ট অকার্যকর করে দিল। তার মধ্যে দুইটা তে রানিং এড ছিল। আর বাকি দুইটা তে ছিল না। কারণ হিসেবে আমাকে জানানো হল “Intellectual Property Rights” এর ভায়োলেশন। কোন কন্টেন্ট এর জন্য সেটা করা হয়েছিল তাও জানিয়েছিল। চেক করে দেখলাম মাস ৬ আগে আমি কিছু টি-শার্টের বুস্ট করেছিলাম। যে গুলোর ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়েছিল আন্তর্জাতিক নামকরা কিছু মিউজিক ব্যান্ডের লোগো। যে কাস্টমারের এডগুলো বুস্ট করেছিলাম তার সংগে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছিলাম এই ভায়োলেশনের জন্য তার পেজ রিমুভ করে দিয়েছিল। এই ফাঁকে আমি বলে নিই কপিরাইট ইস্যু কে ফেসবুক খুব সিরিয়াসলি দেখে। রিপোর্ট পেলেই তারা তদন্ত করে দেখে। যারা রিপোর্ট করে তারা যদি বৈধ ডকুমেন্টস সাবমিট করতে পারে তা হলেই ফেসবুক একশন নেয়। এ ব্যাপারে ফেসবুক প্রথমে একটা সতর্ক মেসেস সেন্ড করে। পরবর্তীতে একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে পেজ কে রিমুভ করে দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে কেস খুবই গুরুতর হলে সতর্ক মেসেস না দিয়েই পেজ রিমুভ করে দিতে পারে, এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ কর দিতে পারে।
উপরোক্ত ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমে জানতে পারলাম ফেসবুক বিভিন্ন ইস্যু তে এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিতে পারে, পেজ রিমুভ করে দিতে পারে। টাইম টু ট্টাইম ফেসবুকের আপডেট আসে। আগের বুস্টের রেকর্ড গুলো ফেসবুকের কাছে থেকেই যায়। তাই আগের কোন পলিসি ভায়োলেশনের জন্য পরবর্তীতে ফেসবুক একশন নিতে পারে। তাই পেজে ৩য় পক্ষের কোন কন্টেন্ট ব্যবহারের বেলায় আমাদের কে সতর্ক হতে হবে। তেমনিভাবে এড অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বেলায় আমাদেরদের কে ফেসবুক এড পলিসি মেনে চলতে হবে।

ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রামের এডের বিল বিভিন্ন ভাবেই ফেসবুক গ্রহণ করে থাকে। নিচে এই গুলো তুলে ধরলাম।১। ক্রেডিট কার্ড এবং কো-ব্...
09/11/2020

ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রামের এডের বিল বিভিন্ন ভাবেই ফেসবুক গ্রহণ করে থাকে। নিচে এই গুলো তুলে ধরলাম।
১। ক্রেডিট কার্ড এবং কো-ব্রান্ডেড ডেবিট কার্ড (মাস্টার কার্ড, ভিসা, আমেরিকান এক্সপ্রেস, ডিসকভার ইত্যাদি)।
২। পেপাল
৩। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (ডাইরেক্ট ডেবিট) এটা যে সব দেশে সাপোর্ট করে সেখানে প্রযোজ্য।
৪। লোকাল ম্যানুয়াল পেমেন্ট মেথড (কিছু দেশে এবং কিছু কারেন্সির জন্য প্রযোজ্য)
কোন দেশের জন্য কোন পেমেন্ট মেথড এবং কারেন্সি প্রযোজ্য হবে সেটার একটা তালিকা ফেসবুকে দেয়া আছে। বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ড এবং কো-ব্রান্ডেড ডেবিট কার্ড (মাস্টার কার্ড, ভিসা, আমেরিকান এক্সপ্রেস) ইত্যাদি পেমেন্ট মেথডের মাধ্যমে এডের বিল গ্রহণ করে। এ ছাড়াও পেপাল দিয়েও পেমেন্ট গ্রহণ করে। যদিও বালাদেশে পেপাল ভ্যালিড না তবে অনেকেই বিভিন্ন ট্রিক্সস খাটিয়ে বা অন্য কোন এডমিন যিনি দেশের বাইরে থাকেন এবং যে দেশে পেপাল বৈধ তিনি এই পেমেন্ট মেথড এড করে করে দিতে পারেন।
ফেসবুক ইদানিং পেমেন্ট মেথডের বেলায় অনেক কঠোর হয়েছে। কোন কারণে পেমেন্ট কয়েকবার ডিকলাইন করলে ফেসবুক এড অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে অকার্যকর করে দিচ্ছে, আইডি এড রেসট্রিকটড করে দিচ্ছে। আবার পেমেন্ট মেথড যদি অন্য কোন এডমিন এড করে দেয় এবং তা যদি ফেসবুকের কাছে সন্দেহজনক মনে হয় তা হলে বিলিং থেরাসহল্ড বা মাসিক বিল কেটে নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকাউন্ট ডিসঅ্যাবাল করে দিচ্ছে। বিলিং ভেরিফিকেশন করার পর তা আবার রি-একটিভ করে দিচ্ছে। আমাদের এখানে অনেকেই মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত কারেন্সির এড অ্যাকাউন্ট কিনে ব্যবহার করেন। এটা একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (ডাইরেক্ট ডেবিট) পেমেন্ট মেথডের এড অ্যাকাউন্ট। অনেকেই এখন বলছেন এটা ব্যবহারে নানা রকম সমস্যা হচ্ছে। ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড ভারচুয়াল বা ফিজিক্যাল হতে পারে। তবে ফেসবুকের কাছে যদি বৈধ পেমেন্ট মেথড হয় তা হলে সেটা ভারচুয়াল নাকি ফিজিক্যাল সেটা কোন ব্যাপার না।
উপরের আলোচনা থেকে জানতে পারলাম ফেক ডলার বলে কিছু নেই। ঝামেলা যেটা হয় সেটা হলো বৈধ পেমেন্ট মেথড ব্যবহারের বেলায়। আমরা অনেকেই নানাবিধ কারণে ৩য় পক্ষের পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করে থাকি। সেটা হতে পারে নিজের পাসপোর্ট বা কার্ড না থাকা। আবার অনেক সময় যারা বেশি ডলারের বুস্ট করতে চান সেই ক্ষেত্রে লিমিট একটা ইস্যু হয়। এই লিমিটের কারণে অনেকেই ৩য় পক্ষের পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করে থাকেন।
পেমেন্ট মেথড নিজের হোক বা ৩য় পক্ষের হোক ফেসবুকের পলিসি মেনে সেটা ব্যবহার করতে হবে। কোন কারণে যদি ভেরিফিকেশন চায় তার ইনফো এবং ডকুমেন্টস যেন দিতে পারেন সেইভাবে তা ব্যবহার করুন। যদি তা দিতে না পারেন তা হলে এড অ্যাকাউন্ট তো হারাবেন সেই সাথে আপনার আইডি এড রেস্ট্রিকটেড হতে পারে।

আমাদের অনেকের ফেসবুক বিজনেস পেজ থেকে প্রতিদিন কিছু লাইক কমে যায় আবার কারও কারও পেজ থেকে হঠাৎ করেই অনেক বেশি পরিমাণে লাইক...
09/11/2020

আমাদের অনেকের ফেসবুক বিজনেস পেজ থেকে প্রতিদিন কিছু লাইক কমে যায় আবার কারও কারও পেজ থেকে হঠাৎ করেই অনেক বেশি পরিমাণে লাইক উধাও হয়ে যায়। এই যে লাইক গায়েব হয়ে যাওয়া এটা কেন হচ্ছে। এর সহজ উত্তর হল ফেসবুক পেজ থেকে ফেক এবং ইন-একটিভ আইডি অকার্যকর করে দেয় আর সে কারণেই পেজ থেকে লাইক কমতে থাকে।
ফেসবুক কীভাবে শনাক্ত করে ফেক আইডি?
অনেক ভাবেই ফেসবুকের সিস্টেম ফেক আইডি চিনতে পারে। যেমন – আইডি এর কর্মকাণ্ড, আইপি ঠিকানা, প্রফাইলে দেয়া তথ্য, ফেস ডিটেকশন ইত্যাদি। অনেকেই একই তথ্য দিয়ে একাধিক আইডি খোলে এই ক্ষেত্রে ফেসবুকের সিস্টেম এখন সেটা বুঝতে পারে। আমার নিজেরও একটা ডুপ্লিকেট আইডি ছিল। শুধু নামের বেলায় একটা তে মোহাম্মদ লিখেছিলাম আরেকটাতে ছিল না। মোবাইল নম্বর আলাদা আলাদা ছিল। একটানা দুই বছর ডুপ্লিকেট আইডি দিয়ে বুস্টের কাজ চালিয়েছি। মাঝখানে আইডি টা বুস্ট রেস্ট্রিকটেড করে দেয়। এর পর ভেরিফিকেশন চাইলে আমার নিড দিয়ে তা ভেরিফিকেশন করিয়েছিলাম। সেই দফা ছেড়ে দিয়েছিল। মাস দুয়েক আগে একদিন দেখি আইডি নেই। ফেসবুক সেটা অকার্যকর করে দিয়েছে। আপিল করেছি কিন্ত এখন পর্যন্ত কিছুই জানায়নি, নাও জানাতে পারে সেটা আপিল করার সময় জানিয়েছিল। আমার ধারণা মোবাইল নম্বর আলাদা হলেও ফেস ডিটেকশন এবং কিছু তথ্য মিলে যাওয়াতে ফেসবুক ঐ আইডি কে ডুপ্লিকেট হিসেবে শনাক্ত করতে পেরেছে।
কীভাবে পেজে ফেক আইডি ঢোকে?
একটা পেজে বিভিন্ন সোর্স থেকে ফেক আইডি প্রবেশ করে। নিচে সেই গুলোর বিবরণ দিলাম।
১। গ্রুপ পোস্টঃ
অনেকেই বিভিন্ন গ্রুপে নিয়মিত পোস্ট দেন। ঐ সব গ্রুপ থেকে ফেক আইডি পেজে ঢুকে পড়ে। ঐ সব গ্রুপে প্রকৃত ক্রেতার চাইতে ফেক মেম্বার বেশি থাকে। অনেক গ্রুপ এডমিন স্পামিং করে গ্রুপে ফেক আইডি দিয়ে অনেক বেশি পরিমাণে মেম্বার এড করে। ইচ্ছেকৃতভাবেই তারা এই কাজটি করে। এটা আসলে তাদের একটা ট্রিক্স।
২। **পেইড শেয়ারঃ **
কেউ কেউ টাকা খরচ করে পেজের পোষ্ট শেয়ার করান। টাকার বিনিময়ে এই কাজটি যিনি করেন তিনিও বিভিন্ন ফেক আইডি খুলে সেই আইডি তে বিভিন্ন ফেক বন্ধু এড করান। আর এই ভাবেই একটা পেজে ফেক আইডি ঢুকে পড়ে।
৩। বুস্টঃ
অনেকেই কম টাকায় বা ফাঁদে পড়ে নন-প্রফেশনাল বুস্টার কে দিয়ে বুস্ট করান। ঐ সব বুস্টাররা প্রফেশনাল ভাবে বুস্ট করতে জানে না, তারা কোন টার্গেট অডিয়ান্স সেট করে না। আর এ ভাবেই ফেক আইডি পেজে ঢুকে পড়ে।
ফেক আইডি কি পেজের ক্ষতি করে?
পেজের মধ্যে যে সব ফেক আইডি ঢুকে পড়ে সেইগুলো নানা ভাবেই পেজের ক্ষতি করে থাকে। প্রথমত এই সব আইডি এর গতিবিধি ফেসবুকের সিস্টেম বুঝতে পারে তাই এই গুলো কে অকার্যকর করে দেয়। তাই এ সব আইডি আপনার পেজের কোন কাজেই লাগে না। ফেসবুকের ডাটাবেজে একটা পেজের ৩৬৫ দিনের ডাটা সংরক্ষিত থাকে। এই ডাটাগুলো কাস্টম অডিয়ান্স দিয়ে বুস্ট করার জন্য লাগে। তাই পেজের সোর্স ডাটা যদি ফেক বা দুর্বল মানের হয় তা হলে সেইসব ডাটা ব্যবহার করে বুস্ট থেকে ভাল রেজাল্ট আসবে না।
ফেক লাইক থেকে বাঁচার উপায় কি?
প্রতিটা পেজের একটা কোয়ালিটি আছে, পেজ অথরিটি আছে। যে পেজের অথরিটি যত ভাল সেই পেজ অরগানিক রিচ এবং পেইড রিচ বেশি পায়। পেজে যেন ফেক লাইক ঢুকতে না পারে তাই যত্রতত্র গ্রুপ পোস্ট দিবেন না। গ্রুপে পোস্ট দেয়ার আগে গ্রুপের একটিভিটি দেখুন। সেই গ্রুপের মেম্বারদের মান যাচাই করুন। তেমনিভাবে পেইড শেয়ার এবং বুস্ট কয়ার সময় ভালমন্দ যাচাই করে সেটা করুন। নিয়মিতভাবে পেজের ফ্যানদের প্রফাইল এবং একটিভিটি মনিটরিং করুন। ফেক এবং ইন-একটিভ ফ্যানদের কে পেজ থেকে রিমুভ করে দিন।
আমাদের অনেকেই আছেন কোয়ালিটির চাইতে কোয়ান্টিটি কে বেশি প্রাধান্য দেন। তাদের চাই বেশি রিচ, বেশি লাইক। এখন আর সেই দিন নেই রে ভাই। ফেসবুক ইদানিং বেশ চড়াও হয়েছে। পেজে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এবং পেজ পলিসি মেনে না চললে সেই পেজে বিভিন্ন রকম রেস্ট্রিকশন আরোপ করছে। এতে করে আপনি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তাই এখনই সাবধান হোন।

ফেসবুকে এখন এড বুস্টে করতে গেলে নানা রকম ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। যারা এতদিন ধরে সাচ্ছন্দে বুস্ট করে এসেছেন তাদের অনেকেই হঠা...
09/11/2020

ফেসবুকে এখন এড বুস্টে করতে গেলে নানা রকম ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। যারা এতদিন ধরে সাচ্ছন্দে বুস্ট করে এসেছেন তাদের অনেকেই হঠাৎ করেই কিছু সমস্যার কারণে বুস্ট করতে পারছেন না। এক বছর আগেও ফেসবুক এড পলিসি ফলো করা না হলে এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিত কিংবা পেমেন্ট মেথডে সন্দেহজনক কিছু পেলে সেটা সাসপেন্ড করত, আবার ভেরিফিকেশন করার পর সেটা রি-একটিভ করে দিত। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও অনেক বাধা। বুস্টের কাজ করতে গেলে ৪ টা জিনিস লাগে। এই গুলো হলো – ফেসবুকের আইডি, এড অ্যাকাউন্ট, পেজের এডমিন রোল এবং পেমেন্ট মেথড। আমি মূলত এই চার টা জিনিসের মধ্যে যে বাধা আছে সেটা নিয়েই আলাপ করবো।
১। পার্সোনাল আইডিঃ
ফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে একটা পার্সোনাল আইডি লাগে। আগে যে কোন আইডি দিয়েই বুস্ট করা যেত। সেটা ফেক নাকি অথেনটিক সেটা যাচাই বাচাই করত না। ইদানিং আইডি এর ব্যাপারে সন্দেহজনক কিছু পেলেই সেই আইডি কে এড রেসট্রিকটেড করে দিচ্ছে। ভেরিফিকেশন করার পর যদি অথেনটিক মনে করে তা হলে সেটার ওপর যে বাধা ছিল তা উঠিয়ে নিচ্ছে।
২। এড অ্যাকাউন্ট:
বুস্ট করতে গেলে লাগে এড অ্যাকাউন্ট বা এড ম্যানেজার। সেটা পার্সোনাল হতে পারে আবার বিজনেস ম্যানেজার হতে পারে। এ সব এড অ্যাকাউন্ট এ অন্য কাউকে এডমিন এক্সেস দেয়া যায়। তারা কার্ড এড করতে পারে, বুস্ট দিতে পারে। ফেসবুকের এড পলিসি না মানার কারণে এখন অনেক বেশি পরিমাণে এড রিজেক্ট করে দিচ্ছে এবং এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে। এটা যে সব সময় জেনুইন কারণে হচ্ছে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় সিস্টেম এররের কারণেও এসব ঘটছে।
৩। বিজনেস পেজঃ
বুস্ট করতে গেলে বিজনেস পেজ লাগে। আর পেজের পোস্টগুলোই বুস্ট করা হয়। পেজের পোস্টে ক্লিক করে বুস্ট করা যায় অথবা এড ম্যানেজার থেকে বুস্ট করা যায় কিংবা মোবাইলের আপস ব্যবহার করেও বুস্ট করা যায়। তবে যে প্লাটফর্ম থেকেই এড বুস্ট করা হোক না কেন সেটার জন্য একটা এড অ্যাকাউন্ট লাগে। বিজনেস পেজের এক্টিভিটির জন্য এখন “পেজ কোয়ালিটি” বিবেচনা করা হয়। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ভঙ্গ করলে বিভিন্ন ধরনের রেস্ট্রিকশন আরোপ করে পেজে। সেটা হতে পারে রিচ কম হওয়া, ভিউ কম হওয়া। আবার বার বার কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে না চললে গুরুতর ব্যবস্থাও নিতে পারে। সেটার কারণে পেজ টা আনপাবলিশড হতে পারে। আবার Intellectual Property Rights না মেনে কোন কন্টেন্ট পেজে ব্যবহার করে রিপোর্ট খেলে পেজ টা চিরতরের জন্য হারাতে পারেন। পেজে কোন রেসট্রিকশন থাকলে সেটার প্রভাব বুস্ট করার সময় পড়ে। বুস্ট থেকে ভাল রিচ আসে না, এড ভাল পারফর্ম করে না। শুধু তাই নয়, ফেসবুকের এড পলিসি ভঙ্গ করার জন্য আপনার পেজ টা এড রেসট্রিকটেড করে দিতে পারে।
৪। পেমেন্ট মেথডঃ
ফেসবুকে বুস্ট করতে গেলে পেমেন্ট মেথড লাগে। আমাদের দেশে যে সব পেমেন্ট পাওয়া যায় তা হল মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড এবং আমেরিকান একপ্রেস। ইদানিং বাংলাদেশের ব্যাংক গুলো থেকে ইস্যু করা কার্ড গুলো অনেক সময় ফেসবুক গ্রহণ করতে চায় না। বিশেষ করে প্রি-পেইড বা ডেবিট কার্ড। আবার কার্ড গ্রহণ করলেও কিছুদিন চলার পর তা সাসপেন্ড করে দেয়।
এই যে বাধাগুলো এসেছে এসবের পিছনেও আবার নানা কারণ থাকতে পারে। আমার ধারণা সেটা হতে পারে ফেক আইডি এর ব্যাপক ব্যবহার। ফেক পেজ খুলে ব্যবসা করে প্রতারণা করা। আবার বুস্ট করে ফেসবুকের পেমেন্ট ডিউ রাখা। কিছু কিছু ব্যাপারে সমস্যা থাকলেও ফেসবুকের বর্তমান অবস্থা কে আমি ভাল চোখেই দেখছি। এতে করে বাটপাররা আর প্রতারণা করতে পারবে না। যারা প্রফেশনাল ভাবে বুস্ট করতে পারবে তারাই মার্কেটে টিকে থাকবে। তবে এটা নিয়ে জরিপ চালিয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা নিলে ভাল হবে।

ইদানিং অনেকের পেজে ফেসবুকের এড বুস্ট করার ব্যাপারে রেস্ট্রিকশন এসেছে। এই হার আগের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। শুধু পে...
09/11/2020

ইদানিং অনেকের পেজে ফেসবুকের এড বুস্ট করার ব্যাপারে রেস্ট্রিকশন এসেছে। এই হার আগের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। শুধু পেজ নয়। ফেসবুক আইডি এবং এড অ্যাকাউন্ট এর উপর ভীষণভাবে চড়াও হয়েছে ফেসবুক। পলিসি ঠিকমত মেনে চলা না হলেই ভেরিফিকেশন করছে, অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে।
পেজ খুললেই পোস্টের নিচে লেখা দেখা যায় “Boost Unavailable”. আর সেটাতে ক্লিক করলে মেসেস দেখায় “Page Not Allowed to Advertise - You can't create ads or promote your Page because it's restricted from advertising”.
অনেকেই এই অবস্থার জন্য ফেসবুকের এড কুপন কে দুষছেন। আমার নিজস্ব গবেষণা, দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণ থেকে বলতে পারি ফেসবুক এড কুপন ব্যবহার করার জন্য এমনটি হচ্ছে না। আর তাই যদি হতো তা হলে যারা কুপন দিয়ে বুস্ট করেছেন তাদের সবার পেজে এই রকম বাধা আসত। আবার অনেকেই যারা কুপন ব্যবহার করেননি তাদের পেজেও কিন্তু ঠিক একই বাধা আসছে। তা হলে এখন প্রশ্ন থেকেই যায় এমনটি হচ্ছে কেন? এর সহজ উত্তর হল ফেসবুকের এড পলিসি মেনে না চলা।
নিচের এই কারণ গুলোর জন্য এমনটি হচ্ছে বলে আমি মনে করিঃ
১। বার বার এড রিজেক্ট হওয়াঃ
একটা পেজ থেকে যদি ঘন ঘন এড রিজেক্ট হয় তা হলে ফেসবুক সেই পেজ কে এড রেস্ট্রিক্টেড করে দেয়। এটা আমার নিজস্ব গবেষণা থেকে পেয়েছি। তাই কোন এড রিজেক্ট হলে সেটার কারণ দেখুন এবং সেই অনুযায়ী এড এডিট করে পুনরায় বুস্টে দিন। যদি মনে হয় সিস্টেমের ভুলের কারণে এমনটি ঘটেছে তাহলে রিভিউ এর জন্য আপিল করুন। আপিল যদি গ্রহণ না করে এবং এড টা যদি এডিট করা সম্ভব না হয় তা হলে এড ম্যানেজার থেকে এড টা রিমুভ করে ফেলুন এবং ঐ ধরনের এড পরবর্তীতে বুস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
২। পেমেন্ট ডিউ রাখাঃ
অনেকেই পেজের পেমেন্ট ডিউ রাখেন। এই ডিউ পে না করেই আবার অন্য কোন এড অ্যাকাউন্ট থেকে ঐ পেজের এড বুস্ট দেন এবং একই কাজ বার বার করেন। এমতাবস্থায় ফেসবুকের সিস্টেম এটা বুঝতে পারে। বার বার পেমেন্ট ডিউ রাখলে ফেসবুক ঐ পেজকে এডভারটাইজিং রেস্ট্রিক্টেড করে দিতে পারে।
৩। এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হওয়াঃ
কোন পেজের এড বুস্ট করতে গিয়ে যদি বাব বার এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হয় তা হলে ফেসবুক ঐ পেজ কে এড রেস্ট্রিক্টেড করে দেয়।
৪। ফেক আইডির এডমিনঃ
পেজের মধ্যে যদি একাধিক ফেক আইডি এর এডমিন থাকে এবং ভেরিফাই করার সময় যদি সে গুলো ধরা পড়ে তখন ফেসবুক ঐ পেজ কে এড রেস্ট্রিক্টেড করে দেয়।
৫। কপিরাইটেট কন্টেন্ট ব্যবহারঃ
আমরা অনেকে জেনেই হোক অথবা না জেনেই হোক নেট থেকে ইমেজ এবং ভিডিও ডাউনলোড করি এবং অনুমতি ছাড়াই সেগুলো অহরহ ব্যবহার করি। অন্যজনের কপিরাইট করা কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা অন্যায়। সে গুলো দিয়ে বুস্ট করা ঠিক নয়। এ ধরনের কন্টেন্ট ব্যবহার করার জন্য কপিরাইট হোল্ডার যদি ফেসবুকের কাছে রিপোর্ট করে দেয় এবং তদন্ত করার পর যদি প্রমাণিত হয় তা হলে ফেসবুক পেজের ওপর রেস্ট্রিকশন আরোপ করে।
৬। UNUSUAL ACTIVITY:
ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট এর সঙ্গে যদি পেমেন্ট মেথড এর ঠিকানা না মিলে, বিশেষ করে অন্য দেশ যদি হয়, কার্ড হোল্ডারের নাম এবং অ্যাকাউন্ট এর নাম যদি ম্যাচ না করে, তা হলে এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দেয়। সেই সঙ্গে বুস্টে থাকা ঐ পেজ কে এড রেস্ট্রিক্টেড করে দিতে পারে।
আশা করছি ফেসবুক কেন একটা পেজকে এড রেস্ট্রিক্টেড করে দিচ্ছে তা বুঝতে পেরেছেন। এটার সমাধান পেতে রিভিউ এর জন্য আপিল করুন। এই সমস্যা থেকে বাচতে হলে ফেসবুকের এড পলিসি মেনে চলুন। নিজেরাই কন্টেন্ট তৈরি করুন। পেজ কোয়ালিটি এবং এড কোয়ালিটি দুটো ভিন্ন জিনিস। পেজ কোয়ালিটি ভাল থাকলেও শুধু ফেসবুকের এড পলিসি ভঙ্গ করার কারণেই আপনার পেজ টা এড রেস্ট্রিক্টেড হতে পারে। তাই এখনই সাবধানে বুস্ট করুন।

21/01/2018

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eazy Adz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share