15/08/2024
আপনার ব্যবসা ছোট কিংবা বড়; লিমিটেড কোম্পানির প্রয়োজনীয়তা জেনে নিন এখনি।
" বিশ্বাসযোগ্যতা এবং একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে নিজের প্রতিষ্ঠানকে নির্ভরযোগ্য করা যায়। কারণ ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান এবং লিমিটেড কোম্পানি দুইটি আলাদা ভিত্তি। লিমিটেড কোম্পানী আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। লিমিটেড কোম্পানিতে কোনো ব্যক্তি চলে গেলেও কোম্পানির কার্যক্রম সচল থাকে। এতে আস্থা এবং অন্যান্য শেয়ার হোল্ডার দের কাছে ব্যবসাটি বিশ্বাস যোগ্য হয়ে থাকে।
সীমিত দায়: একক মালিকানা হলে কোম্পানির সকল দায়ভার একক ব্যক্তির উপর পরে বিধায় রিস্ক বেশি থাকে এবং কাজের চাপ, দায়িত্ব উভয় ই বেশি নিতে হয়। এছাড়া একার পক্ষে অনেক সময় কোম্পানি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে যায়। লিমিটেড কোম্পানি একক ব্যক্তির উপর থেকে দায় তুলে নিয়ে এটা সবার মাঝে বণ্টন করে দেয় এবং এতে কোম্পানি ব্যবসায়িক স্বার্থে বড় ধরনের রিস্ক গ্রহণ করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করতে পারে।
ট্যাক্স সহজিকরনঃ ব্যক্তিগত আয়ের ট্যাক্সের তুলনায় লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে অর্জিত আয়ের ট্যাক্স তুলনামূলক এবং এবং নিরাপদ। এতে দায় কম থাকে এবং ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স খুব সহজেই পরিচালনা করা যায়।
মূলধন বাড়ানো: ব্যবসায়িক বৃদ্ধির লক্ষ্যে একক কোম্পানি চাইলেই সহজে বিনিয়োগ নিতে পারেনা যেকোনো জায়গা থেকে, অথচ লিমিটেড কোম্পানি থাকলে বিনিয়োগকারীরা সহজেই, বিশ্বস্তভাবেই বিনিয়োগ করতে পারে যদি কোম্পানির মুনাফা অর্জন করার সক্ষমতা থাকে তবে তারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়।
আর্থিক পৃথকীকরণ: আর্থিক ব্যবস্থাপনা কে সঠিক ভাবে ম্যানেজ করতে গেলে প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত হিসাব কে আলাদা রাখতে হয়, লিমিটেড কোম্পানি সে সুযোগ প্রদান করে।
আইনি সুরক্ষা: একটি লিমিটেড কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত করার পর এটা আইনি সুরক্ষা প্রদান করতে পারে, আইনি বিরোধ বা ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। কারণ ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে দায়ভার সম্পূর্ণ নিজের একার থাকে অথচ কোম্পানির দায়ভার এর পরিচালনা পর্ষদ সকলের উপর ন্যস্ত থাকে।
মালিকানা হস্তান্তর: ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের মালিকানা হস্তান্তরে বিভিন্ন জটিলতা থেকে থাকে, তবে লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে এই জটিলতা নেই বললেই চলে; জটিলতা থাকলেও এটা খুব ই সহজ এবং দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা যায়।
কোম্পানির নামের নিরাপত্তা: আপনার কোম্পানির নাম নিবন্ধন করেই লিমিটেড কোম্পানি তৈরি করতে হয় বিধায় যে কেউ চাইলেই আপনার নাম কিংবা নামের সাথে হুবহু মিল রেখে একি নামে নতুন কোম্পানি খুলতে পারে না, তাই আপনার নামের নিরাপত্তা থাকে যদি আপনি লিমিটেড কোম্পানি তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন।
লিমিটেড কোম্পানি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন কিংবা কনসালটেন্সি সার্ভিস গ্রহণ করতে পারেন আমাদের কাছ থেকে। আমাদের আছে অভিজ্ঞ কনসাল্টেন্ট যারা প্রায় দীর্ঘ ১২ বছর ধরে গ্রাহকের সকল ধরনের ব্যবসায়িক ডকুমেন্ট সহজে, নিরাপদে এবং সাশ্রয়ী খরচে প্রদান করে থাকে।
আমাদের বিশেষ সেবাসমূহঃ
আরজেএসসি বাৎসরিক ডকুমেন্ট রিনিউ প্যাকেজ
নামের ছাড়পত্র,
নতুন লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন,
বিদেশি লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন,
কোম্পানির বাৎসরিক রিটার্ন,
কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর,
ফিন্যান্সিয়াল অডিট রিপোর্ট,
কোম্পানির ইনকাম ট্যাক্স
পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্স
চেম্বার অফ কমার্স লাইসেন্স
ফায়ার লাইসেন্স
পরিবেশ ছাড়পত্র
বায়িং হাউজ নিবন্ধন
বিডা / বিনিয়োগ বোর্ড নিবন্ধন
সোসাইটি/ফাউন্ডেশন/ট্রাস্ট,
বি এস টি আই লাইসেন্স
অংশীদারি ফার্ম/পার্টনারশিপ নিবন্ধন,
ই-টিন রেজিস্ট্রেশন,
ট্রেড লাইসেন্স,
ট্রেডমার্ক, রেজিস্টার্ড,
এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট লাইসেন্স,
দ্রুত এবং বিশ্বস্ততায় আমরা সবার চেয়ে এগিয়ে। এছাড়া যেকোনো সাজেশন এবং সহায়তার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
মোবাইল / হোয়াটস অ্যাপ / ভাইভার :
01755-100000
01712-224117
01744-406246
01918-516251
টেলিফোন. ০২-৫৫০১৩৯২৯
Fax no- ০২-৫৫০১৩৯০১
জিয়া কনসালটেন্সি অনলাইন ফার্ম
হক মনিরুল এন্ড কোং
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রাপ্তি এখন সহজেই।
যোগাযোগের ঠিকানা: শাঁহ আলী টাওয়ার (৩য় তলা) ৩৩, কাওরানবাজার ঢাকা-১২১৫.
হেড অফিস বাসা-০১ (ফ্লাট-৪বি), রোড-১৯, নিকু
Visit: www.ziacfl.com
Email. [email protected]
[email protected]
gogool map- https://maps.app.goo.gl/9ftqCoy83bpuDbox5