Daily Stock News - DSN

Daily Stock News - DSN Daily Stock News (DSN)- Daily stock market insights | DSE-focused | Global market updates | News

রূপালী ব্যাংকের ১৯১ কোটি টাকা পাওনা। সেই পাওনা আদায়ে বেক্সিমকো লিমিটেডের গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে থাকা প্রায় ২৬ একর জমি ও স...
03/09/2026

রূপালী ব্যাংকের ১৯১ কোটি টাকা পাওনা। সেই পাওনা আদায়ে বেক্সিমকো লিমিটেডের গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে থাকা প্রায় ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে বেক্সিমকো এ-সংক্রান্ত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) বিনিয়োগকারীদের জানায়নি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে এসেছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে—এত বড় অঙ্কের ঋণ এবং কোম্পানির উল্লেখযোগ্য সম্পত্তি নিলামে ওঠার উদ্যোগের খবর বিনিয়োগকারীদের অন্ধকারে রাখা হলো কেন?

এ ঘটনায় বেক্সিমকো লিমিটেডের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে বিএসইসির ইস্যুয়ার কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের সুপারভিশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব ইস্যুয়ার কোম্পানিজ ডিপার্টমেন্ট থেকে।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে কমিশন জানতে পারে, খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য বেক্সিমকোর বন্ধকী সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রূপালী ব্যাংক। কিন্তু এ বিষয়ে বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে কমিশন বা সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে কোনো পিএসআই প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, ‘বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং এ বিষয়ে বেক্সিমকো লিমিটেডের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।’

১৯১ কোটি টাকা পাওনা, নিলামে ২৬ একর সম্পত্তি

প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, রূপালী ব্যাংকের পাওনা ১৯১ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত বেক্সিমকোর প্রায় ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কোম্পানির উল্লেখযোগ্য সম্পত্তি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়ায় চলে আসার বিষয়টি বেক্সিমকোর আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। কারণ, নিলামের মাধ্যমে এসব সম্পত্তি হাতছাড়া হলে কোম্পানির সম্পদভিত্তি ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধে কোম্পানির সক্ষমতা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এ কারণেই বিএসইসি মনে করছে, নিলামের বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের জন্য মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।রূপালী ব্যাংকের ১৯১ কোটি টাকা পাওনা। সেই পাওনা আদায়ে বেক্সিমকো লিমিটেডের গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে থাকা প্রায় ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে বেক্সিমকো এ-সংক্রান্ত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) বিনিয়োগকারীদের জানায়নি। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে এসেছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে—এত বড় অঙ্কের ঋণ এবং কোম্পানির উল্লেখযোগ্য সম্পত্তি নিলামে ওঠার উদ্যোগের খবর বিনিয়োগকারীদের অন্ধকারে রাখা হলো কেন?

এ ঘটনায় বেক্সিমকো লিমিটেডের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে বিএসইসির ইস্যুয়ার কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের সুপারভিশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব ইস্যুয়ার কোম্পানিজ ডিপার্টমেন্ট থেকে।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে কমিশন জানতে পারে, খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য বেক্সিমকোর বন্ধকী সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রূপালী ব্যাংক। কিন্তু এ বিষয়ে বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে কমিশন বা সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে কোনো পিএসআই প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, ‘বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং এ বিষয়ে বেক্সিমকো লিমিটেডের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।’

১৯১ কোটি টাকা পাওনা, নিলামে ২৬ একর সম্পত্তি

প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, রূপালী ব্যাংকের পাওনা ১৯১ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত বেক্সিমকোর প্রায় ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কোম্পানির উল্লেখযোগ্য সম্পত্তি ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়ায় চলে আসার বিষয়টি বেক্সিমকোর আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। কারণ, নিলামের মাধ্যমে এসব সম্পত্তি হাতছাড়া হলে কোম্পানির সম্পদভিত্তি ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধে কোম্পানির সক্ষমতা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এ কারণেই বিএসইসি মনে করছে, নিলামের বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের জন্য মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।পিএসআই প্রকাশের বাধ্যবাধকতা ছিল কি না

বিএসইসির বিবেচনায়, কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, সম্পদ বা দায়দেনার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে—এমন তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানানো গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণের বিপরীতে কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ হলে তা বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

এ কারণে বিষয়টি ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ২০২২’-এর মূল্য সংবেদনশীল তথ্যসংক্রান্ত বিধি-৩-এর উপবিধি (১)(অ)-এর আওতাভুক্ত কি না, তা বিবেচনা করছে কমিশন। পাশাপাশি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের পদ্ধতিসংক্রান্ত বিধি ৬(১)-এর বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তবে কমিশনের পর্যালোচনায় এখন পর্যন্ত নিলামের বিষয়ে বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে কোনো পিএসআই প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও কোম্পানিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিনিয়োগকারীদের কিছু জানিয়েছিল কি না, সেটিও এখন বিএসইসির প্রশ্নের মুখে।

সাত কার্যদিবসের মধ্যে জবাব

বিএসইসির চিঠিতে নিলামের বিষয়টি কেন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে প্রকাশ করা হয়নি, তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানির অবস্থান ও ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে।

চিঠি পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিএসইসির কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে কোনো জবাব পৌঁছেনি।

একই বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পক্ষ থেকেও বেক্সিমকোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সিএসই কর্তৃপক্ষও এখন পর্যন্ত কোম্পানিটির কাছ থেকে কোনো উত্তর পায়নি বলে নিশ্চিত করেছে।

বিনিয়োগকারীরা কতটা তথ্য পাচ্ছেন

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির বড় অঙ্কের ঋণ এবং সেই ঋণের বিপরীতে গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি নিলামে তোলার উদ্যোগ সাধারণ ব্যবসায়িক তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষ করে কোম্পানির উল্লেখযোগ্য সম্পদ নিলামের মাধ্যমে হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হলে সেটি আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ধরনের তথ্য সময়মতো প্রকাশ না হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির প্রকৃত ঝুঁকি সম্পর্কে অসম্পূর্ণ তথ্য নিয়ে শেয়ার কেনাবেচার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অন্যদিকে, বাজারে যারা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য জানতে পারেন, তাদের সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

তাই বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে এখন শুধু ১৯১ কোটি টাকা পাওনা বা ২৬ একর সম্পত্তি নিলামের বিষয়টি নয়, বরং বিনিয়োগকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাসময়ে জানানো হয়েছিল কি না—সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিএসইসি জানিয়েছে, বেক্সিমকোর ব্যাখ্যা পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে কোম্পানিটির জবাব এবং কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর বাজারসংশ্লিষ্টদের।

পোস্ট কার্টেসি- Sharebazar bangla

আজকের কমিশন সভায় ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশনের খসরা অনুমোদন হয়েছে।
03/09/2026

আজকের কমিশন সভায় ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশনের খসরা অনুমোদন হয়েছে।

03/09/2026

POV: Thinking the market is on your side.

মার্কেট এর যা অবস্থা, তাই একটু বিনোদন! 😀😀

#শেয়ারবাজার

📊 আজকের ব্লক ট্রেড আপডেট (৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)DSE-তে আজ ব্লক মার্কেটে মোট ২৯টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের...
03/09/2026

📊 আজকের ব্লক ট্রেড আপডেট (৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)

DSE-তে আজ ব্লক মার্কেটে মোট ২৯টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৳ ১৩.৪ কোটি।

ব্লক মার্কেটের লেনদেন অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। তাই প্রতিদিনের ব্লক মার্কেট আপডেট জানতে চোখ রাখুন Daily Stock News-DSN -এর পেইজে।

আজ কোন কোম্পানির ব্লক ট্রেড আপনার নজরে এসেছে-কমেন্টে জানাতে পারেন।👇

📊 আজকের পুঁজিবাজার: সূচক সামান্য সবুজ, কিন্তু ভেতরের চিত্রে চাপ স্পষ্ট৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জআজকের লেনদে...
03/09/2026

📊 আজকের পুঁজিবাজার: সূচক সামান্য সবুজ, কিন্তু ভেতরের চিত্রে চাপ স্পষ্ট

৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

আজকের লেনদেনে DSEX সামান্য ১.৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৬৬২.০৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সূচকের এই ক্ষুদ্র উত্থান কিছুটা স্বস্তি দিলেও বাজারের অভ্যন্তরীণ চিত্র বলছে—ক্রেতাদের চেয়ে বিক্রেতাদের দাপটই আজ বেশি ছিল।

🔹 DSEX: ৫,৬৬২.০৯ | +১.৬৮ (+০.০৩%)
🔹 DS30: ২,১৪০.৭৩ | +১৫.২৪ (+০.৭২%)
🔹 DSES: ১,১৩৮.০১ | +২.৯০ (+০.২৬%)

🔴 সূচক সবুজ, কিন্তু বেশিরভাগ শেয়ারে চাপ

আজ মোট ৩৪টি কোম্পানি অপরিবর্তিত থাকার বিপরীতে ২২৫টি কোম্পানির দর কমেছে, যেখানে দর বেড়েছে মাত্র ১২৫টির। অর্থাৎ Advance-Decline ratio বাজারের দুর্বলতাই নির্দেশ করছে।

বিশেষ করে ২–৫% দরপতন হয়েছে ১৩৬টি শেয়ারে, আর ৫–৭% কমেছে আরও ৩৪টি শেয়ারে। ফলে সূচক সামান্য সবুজ থাকলেও অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিওতে স্বস্তির চিত্র নাও থাকতে পারে।

💰 লেনদেনে কিছুটা গতি

আজ বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭২৪.০১ কোটি টাকা, ভলিউম ২৩.৫৯ কোটি এবং মোট ট্রেড হয়েছে ২,০০,১৭৫টি।

তবে Buy Pressure ৪৪.৩৭% বনাম Sell Pressure ৫৫.৬৩%—এই ব্যবধানটি বাজারে বিক্রির চাপকে স্পষ্ট করছে।

🔎 আজকের বাজারের মূল বার্তা

আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সূচককে দেখে বাজারের প্রকৃত অবস্থা বিচার করা যাচ্ছে না। DS30-এর তুলনামূলক শক্তিশালী পারফরম্যান্স সূচককে ধরে রাখতে সাহায্য করেছে, কিন্তু broader market-এ ব্যাপক দরপতন বিনিয়োগকারীদের সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

অর্থাৎ, বাজারে এখনো শক্তিশালী ও ব্যাপকভিত্তিক Buying Confidence তৈরি হয়নি।

📌 আগামী দিনের জন্য নজর থাকবে:
➡️ ৫,৬০০–৫,৬৫০ অঞ্চলে DSEX-এর অবস্থান
➡️ Buy Pressure বাড়ছে কি না
➡️ Advance-Decline ratio উন্নত হচ্ছে কি না
➡️ ৭০০+ কোটি টাকার লেনদেন ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে কি না

সারকথা: আজকের বাজারকে বলা যায়—“সূচক বাঁচল, কিন্তু বাজারের বেশিরভাগ শেয়ার বাঁচেনি।” তাই শুধু সূচকের সবুজ রং দেখে স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ কম; বাজারের ভেতরের শক্তি ফিরে আসছে কি না সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

#পুঁজিবাজার #শেয়ারবাজার

প্রস্তাবিত ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের অধীনে আসা  কোম্পানির শেয়ার যে নিয়মে  অফলোডিং (বিক্রি/হস্তান্তর) করা হবে:(১) প্রস্তাবিত...
02/09/2026

প্রস্তাবিত ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের অধীনে আসা কোম্পানির শেয়ার যে নিয়মে অফলোডিং (বিক্রি/হস্তান্তর) করা হবে:

(১) প্রস্তাবিত কোম্পানির ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্ত (লিস্টিং) হওয়ার পর, স্টক এক্সচেঞ্জ প্রথম ট্রেডিং দিন ঘোষণা করবে এবং উক্ত দিনে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের (Price Discovery) সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেবে।

(২) প্রস্তাবিত কোম্পানি তাদের তথ্য দলিলে (Information Document) ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন মূল্য) প্রকাশ করবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জ উপ-বিধি (১)-এর অধীনে প্রদত্ত ঘোষণার সাথে উক্ত ফ্লোর প্রাইস প্রথম ট্রেডিং দিনের অন্তত ৩ (তিন) দিন আগে প্রচার করবে।

(৩) প্রস্তাবিত কোম্পানি, অফারকারীর (Offeror) সাথে পরামর্শ করে, রেফারেন্স মূল্যের (Reference Price) চেয়ে অন্তত ২০% (বিশ শতাংশ) কম দামে ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করবে:

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধিমালায় উল্লেখিত মূল্যায়ন ও মূল্য নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে রেফারেন্স মূল্য নির্ধারিত হতে হবে।

(৪) বিধি ২ (১) (খ)-এর ধারা (i), (ii) এবং (iii)-এর আওতাভুক্ত প্রস্তাবিত কোম্পানির অফারকারীগণ যৌথভাবে ট্রেডিং শুরুর তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) ট্রেডিং দিনের মধ্যে উক্ত কোম্পানির ন্যূনতম ১০% (দশ শতাংশ) শেয়ার বিক্রির জন্য অফার করবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, বিধি ২ (১) (খ)-এর ধারা (iv), (v), (vi), (vii) এবং (viii)-এর আওতাভুক্ত প্রস্তাবিত কোম্পানির অফারকারীগণ যৌথভাবে উক্ত সময়সীমার মধ্যে কোম্পানির ন্যূনতম ২০% (বিশ শতাংশ) শেয়ার বিক্রির জন্য অফার করবেন:

আরও শর্ত থাকে যে, প্রস্তাবিত কোম্পানির আবেদন এবং স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন এই উপ-বিধির বাধ্যবাধকতা শিথিল করতে পারে।

(৫) প্রথম ট্রেডিং দিনের প্রথম ৩০ (ত্রিশ) মিনিট মূল্য নির্ধারণের সময় (Price Discovery Period) হিসেবে গণ্য হবে, যে সময়ে বিনিয়োগকারীরা ক্রয়ের আদেশ (Buy Bid) জমা দিতে পারবেন, কিন্তু কোনো অফারকারী ট্রেডিং সিস্টেমে কোনো বিক্রয়ের আদেশ (Sell Order) বা বিক্রয়মূল্য প্রস্তাব করতে পারবেন না:

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-বিধি (৩)-এর অধীনে নির্দিষ্ট ফ্লোর প্রাইসের নিচে কোনো ক্রয়ের আদেশ দেওয়া যাবে না, এবং প্রাইস ডিসকভারি পিরিয়ডে জমা পড়া সমস্ত বৈধ ক্রয়ের আদেশ, প্রাইস ডিসকভারি পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ট্রেডিং শুরু হলে অফারকারীর উদ্ধৃত বিক্রয়মূল্যের সাথে ম্যাচিংয়ের জন্য বিবেচিত হবে।

(৬) প্রথম ট্রেডিং দিনে, অফারটির অধীনে মোট অফলোড করার জন্য প্রস্তাবিত শেয়ারের অন্তত ৫০% (পঞ্চাশ শতাংশ) বিক্রির জন্য অফার করতে হবে, এবং অবশিষ্ট শেয়ারসমূহ পরবর্তী ২৯ (উনত্রিশ) ট্রেডিং দিনের মধ্যে বিক্রির জন্য অফার করতে হবে।

(৭) উপ-বিধি (৫)-এ উল্লিখিত প্রাইস ডিসকভারি পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর, অফারকারী প্রাইস ডিসকভারি পিরিয়ড অতিক্রমের সাথে সাথে ট্রেডিং শুরু হলে ট্রেডিং সিস্টেমে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রাইস ডিসকভারি পিরিয়ডে নির্ধারিত মূল্যের ওপর ভিত্তি করে, অফারকারী তার বিবেচনায় ফ্লোর প্রাইস এবং এই বিধিমালার অন্যান্য প্রযোজ্য বিধানাবলী সাপেক্ষে ট্রেডিং চলাকালীন শেয়ারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ বা সংশোধন করতে পারবেন।

(৮) প্রস্তাবিত কোম্পানির ইক্যুইটি সিকিউরিটিজের লেনদেন প্রথম ২ (দুই) ট্রেডিং দিনের প্রতিটি দিন দুপুর ১২:০০ টা পর্যন্ত স্পট মার্কেটে পরিচালিত হবে।

(৯) প্রথম ২ (দুই) ট্রেডিং দিনে কেনাবেচা হওয়া শেয়ারের বণ্টন ও নিষ্পত্তির (Settlement) সুবিধার্থে তৃতীয় ট্রেডিং দিনে প্রস্তাবিত কোম্পানির ইক্যুইটি সিকিউরিটিজের লেনদেন স্থগিত থাকবে।

(১০) প্রথম ২ (দুই) ট্রেডিং দিনে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীসহ কোনো সাধারণ বিনিয়োগকারী প্রস্তাবিত কোম্পানির ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ বিক্রি করতে পারবেন না।

(১১) চতুর্থ ট্রেডিং দিন থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য স্বাভাবিক নিষ্পত্তি ব্যবস্থা (Normal Settlement System) কার্যকর হবে।

(১২) প্রথম ৫ (পাঁচ) ট্রেডিং দিনে একটি একক আদেশে (Single Order) ১,০০০ (এক হাজার) শেয়ারের বেশি কোনো ক্রয় বা বিক্রয়ের আদেশ গ্রহণযোগ্য হবে না।

(১৩) প্রস্তাবিত কোম্পানির কোনো স্পন্সর বা পরিচালক ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের তারিখ থেকে ১ (এক) বছর পর্যন্ত কোম্পানির কোনো শেয়ার ক্রয় করতে পারবেন না।

(১৪) উপ-বিধি (৪)-এর অধীনে সর্বনিম্ন অফলোডিং লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত অফারকারীর সেলিং ব্রোকার (Selling Broker) দৈনিক ভিত্তিতে মোট বিক্রিত শেয়ারের সংখ্যা, পুঞ্জীভূত বিক্রিত শেয়ারের সংখ্যা এবং অবিক্রীত শেয়ারের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেবেন।

(১৫) উপ-বিধি (৪)-এর অধীনে নির্দিষ্ট অফলোডিং সম্পন্ন হওয়ার ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে সেলিং ব্রোকার স্টক এক্সচেঞ্জে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

(১৬) প্রযোজ্য শেয়ারধারণ সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা পূরণ সাপেক্ষে, লিস্টিংয়ের তারিখ থেকে ১ (এক) পূর্ণ অর্থবছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রস্তাবিত কোম্পানির প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো অফারকারী লিস্টিংয়ের সময় তার ধারণকৃত শেয়ারের ৫০%-এর বেশি বিক্রি করতে পারবেন না।

Post Courtesy: Personal Finance101

#পুঁজিবাজার

📊 আজকের ব্লক ট্রেড আপডেট (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)DSE-তে আজ ব্লক মার্কেটে মোট ৩১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের...
02/09/2026

📊 আজকের ব্লক ট্রেড আপডেট (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)

DSE-তে আজ ব্লক মার্কেটে মোট ৩১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৳৭৬.৪ কোটি।

ব্লক মার্কেটের লেনদেন অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। তাই প্রতিদিনের ব্লক মার্কেট আপডেট জানতে চোখ রাখুন Daily Stock News-DSN -এর পেইজে।

আজ কোন কোম্পানির ব্লক ট্রেড আপনার নজরে এসেছে-কমেন্টে জানাতে পারেন।👇

📈 স্বস্তির লেনদেনে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত—বাড়ল সূচক, ৭৩৫ কোটি টাকার লেনদেন২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জপুঁজিবাজা...
02/09/2026

📈 স্বস্তির লেনদেনে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত—বাড়ল সূচক, ৭৩৫ কোটি টাকার লেনদেন

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

পুঁজিবাজারে আজ কিছুটা ইতিবাচক ও স্বস্তিদায়ক সেশন দেখা গেছে। লেনদেনের গতি বাড়ার পাশাপাশি অধিকাংশ শেয়ারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

🔹 DSEX বেড়েছে ২৩.১১ পয়েন্ট, দাঁড়িয়েছে ৫,৬৬০.৪১-এ (+০.৪১%)।
🔹 DS30 বেড়েছে ৩.৪৫ পয়েন্ট (+০.১৬%)।
🔹 DSES বেড়েছে ৪.৭০ পয়েন্ট (+০.৪২%)।
🔹 মোট টার্নওভার ৭৩৫.৪২ কোটি টাকা—সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় যা বাজারে অংশগ্রহণ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
🔹 মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ১,৭৭,২০২টি।
🔹 Buy Pressure ৫১.৯২%, বিপরীতে Sell Pressure ৪৮.০৮%।

🟢 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত—Advance-Decline

আজ ২৩৮টি কোম্পানির দর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ৮৯টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৫টি।

অর্থাৎ সূচকের উত্থানের পাশাপাশি বাজারের breadth-ও ইতিবাচক ছিল। শুধু কয়েকটি বড় কোম্পানির ওপর নির্ভর করে সূচক বাড়েনি—বাজারের তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত অংশে ক্রেতাদের সক্রিয়তা দেখা গেছে।

🔎 তাহলে কি পতনের ধারা শেষ?

এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।

তবে আজকের বাড়তি লেনদেন + ইতিবাচক Advance-Decline + Buy Pressure-এর আধিপত্য বাজারে কিছুটা আস্থা ফিরছে—এমন একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

আগামী কয়েকটি সেশনে যদি ৭০০+ কোটি টাকার কাছাকাছি লেনদেন বজায় থাকে এবং DSEX ধারাবাহিকভাবে উচ্চতর অবস্থান তৈরি করতে পারে, তাহলে আজকের উত্থানকে একটি সম্ভাব্য recovery signal হিসেবে দেখা যেতে পারে।

তবে বিপরীতে ভলিউম ও লেনদেন আবার কমে গেলে আজকের উত্থানকে শুধুই স্বল্পমেয়াদি technical bounce হিসেবেও দেখা হতে পারে।

সুতরাং এখনই অতিরিক্ত আশাবাদী হওয়ার সময় নয়—বরং আগামী কয়েকটি সেশনে লেনদেন, breadth এবং ক্রয়চাপের ধারাবাহিকতা দেখাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

📊 বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে—এবার প্রয়োজন ধারাবাহিকতার।

#পুঁজিবাজার #শেয়ারবাজার

Good news!
01/09/2026

Good news!

আজকের কমিশন সভায় ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশনের খসরা অনুমোদন হয়েছে। জনমত যাচাই শেষে দ্রুতই এটি আইনে পরিনত হবে। সরকারি মালিকা...
01/09/2026

আজকের কমিশন সভায় ডিরেক্ট লিস্টিং রেগুলেশনের খসরা অনুমোদন হয়েছে। জনমত যাচাই শেষে দ্রুতই এটি আইনে পরিনত হবে।

সরকারি মালিকানাধীন, বিদেশি মালিকানাধীন, ৩০০ কোটি পেইডাপের টেলিকম কোম্পানি এবং ৫০০ কোটি টার্নোভাল/ পেইডাপ ক্যাপিটাল থাকা বেসরকারি কোম্পানি নুন্যতম ১০-২০% শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে পুজিবাজারে তালিকা ভুক্ত হতে পারবে।

Post courtesy- Personal Finance101

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Stock News - DSN posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share