22/10/2025
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের কারণে বাংলাদেশের আর্থিক পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, যা গ্রাহকদের সাথে ব্যাংকের সম্পর্ককে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে এবং ব্যাংকগুলির মানবসম্পদ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করছে। বাংলাদেশের শীর্ষ ৫টি ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ-
সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ:
✅২০১৩ সালে শুরু হলেও প্রথম সাত বছর অগ্রগতি ছিল ধীর (৭ বছরে ৭২,০০০ ব্যবহারকারী)।
✅এরপর, বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারীর পরে, একটি "ডিজিটাল বিস্ফোরণ" ঘটে। ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮.৮২ লাখে পৌঁছে, যার চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার (CAGR) ৬৫.৪%।
✅দৈনিক লেনদেন ২০২০ সালের ২৭ কোটি টাকা থেকে ২০২৩ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে (৭৩.৬% CAGR)।
✅এই পরিবর্তনের ফলে সিটি ব্যাংকের প্রতি মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকা স্টাফ খরচ সাশ্রয় হচ্ছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থার (Astha) অ্যাপ:
✅ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়েছে।
✅গ্রাহকরা প্রতিদিন প্রায় ৭০০ কোটি টাকা (বা মাসিক ২০,০০০ কোটি টাকা) লেনদেন করেন। ব্যাংক এমডি এটিকে "প্রকৃত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি" হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা এক কাপ চা খাওয়ার সময়ে অ্যাকাউন্ট খোলা বা ঋণের জন্য আবেদন করার সুবিধা দিচ্ছে।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাসপে (Nexus Pay):
✅আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০ লাখের কাছাকাছি।
✅মাসিক লেনদেন ২১,০০০ কোটি টাকারও বেশি, যা এটিকে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের কেন্দ্রে স্থাপন করেছে।
ইস্টার্ন ব্যাংকের স্কাইব্যাংকিং (Skybanking):
✅৪.৫ লাখ ব্যবহারকারী এবং দৈনিক ১২০ কোটি টাকা লেনদেন হলেও, এর বৃদ্ধির গতি সবচেয়ে নাটকীয়।
✅গত পাঁচ বছরে, ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৩৭%, লেনদেনের পরিমাণ ৭৭৫%, এবং মোট লেনদেনের মূল্য ২,৬৯৫% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ব্যাংকটির দ্রুত এগিয়ে আসাকে প্রমাণ করে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমটিবি নিও (MTB Neo):
✅ব্যবহারকারীর সংখ্যা বছরে গড়ে ৩৫% হারে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২.৫ লাখে পৌঁছেছে।
✅লেনদেনের পরিমাণও বছরে ৯০% বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মাসিক মোট পরিমাণ প্রায় ২,০০০ কোটি টাকা।