Law Universe

Law Universe Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Law Universe, Chittagong Division, Chittagong.

18/05/2026
27/04/2026

এফিডেভিট বা হলফনামা (Affidavit) বলতে আমরা সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হলফ বা শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি প্রদানকে বুঝি। প্রাত্যহিক জীবনে আমাদের অনেক সময় এফিডেভিটের প্রয়োজন হয়ে থাকে। সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট ইত্যাদিতে নিজের নাম কিংবা মাতা-পিতার নামের ভুল সংশোধন, বয়স সংশোধন, কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা ইত্যাদি কারণে প্রায়ই এফিডেভিট বা হলফনামার প্রয়োজন হয়।

এফিডেভিট বা হলফনামা (Affidavit) যেভাবে করবেন :

যে ভুল সংশোধন করা প্রয়োজন কিংবা যা আপনি ঘোষণা দিতে ইচ্ছুক অর্থাৎ যে কারণে আপনি এফিডেভিট করবেন তা অবশ্যই ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী দিয়ে লিখিয়ে তাতে ছবি সংযুক্ত করে আপনি এফিডেভিট বা হলফনামা প্রদানকারী উক্ত এফিডেভিটে স্বাক্ষর দিয়ে সেটি ফটোকপি করে উভয় কপি একজন বিজ্ঞ আইনজীবীকে দিয়ে সত্যায়িত করে এখতিয়ার সম্পন্ন কোন প্রথম শ্রেণীর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উক্ত এফিডেভিট উপস্থাপন করতে হয়। উক্ত এফিডেভিট বা হলফনামা বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত শুনানী অন্তে আপনার এফিডেভিটটি গ্রহণ (Accept) করলে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট মূল স্ট্যাম্পে রেজিস্ট্রি নম্বর বসিয়ে তাতে তাঁর স্বাক্ষর ও সীল সংযুক্ত করে এফিডেভিটটি আপনি এফিডেভিট প্রদানকারী বরাবরে প্রদান করবেন। অর্থাৎ আপনার এফিডেভিটটি হয়ে গেল যা আপনি যেখানে প্রয়োজন ব্যবহার করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে, বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এফিডেভিটের একটি কপি জমা দিতে হয় যা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সংরক্ষিত থাকে। আপনি ইচ্ছে করলে এরূপ এফিডেভিটের বিষয়টি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য পত্রিকায় দিতে পারেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এফিডেভিট সরাসরি কোন নোটারী পাবলিকের নিকট গিয়েও করানো যায়।

26/04/2026

জাতীয় সংসদে 'কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর (সংশোধন) আইন-২০২৬' কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে । এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে ।
ফৌজদারি কার্যবিধি বা ক্রিমিনাল প্রসিডিউর বিষয়ে কন্ঠভোটে পাস হওয়া মূল পরিবর্তনগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. গ্রেপ্তার সংক্রান্ত সুরক্ষা (৪৬এ-৪৬ই ধারা)
#পরিবারকে অবহিতকরণ: কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন বা আইনজীবীকে বিষয়টি জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ।
#পরিচয়পত্র প্রদর্শন: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তাকে অবশ্যই তার দৃশ্যমান পরিচয়পত্র (ID card) সাথে রাখতে হবে এবং গ্রেপ্তারের সময় তা প্রদর্শন করতে হবে ।
#আইনি পরামর্শ: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে তার আইনজীবী বা নিকটাত্মীয়ের সাথে পরামর্শ করার সুযোগ দিতে হবে ।
২. নথিবদ্ধকরণ ও স্বচ্ছতা
#জিডিতে অন্তর্ভুক্তি: গ্রেপ্তারের কারণ, সময় এবং কাকে তথ্য জানানো হয়েছে—এসব বিস্তারিত তথ্য অবিলম্বে স্থানীয় থানার জেনারেল ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করতে হবে ।
#গ্রেপ্তার মেমোরেন্ডাম: গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা যদি ওই থানার না হন, তবে তাকে গ্রেপ্তারের একটি অনুলিপি (Memorandum) সংশ্লিষ্ট থানার ওসির কাছে পাঠাতে হবে ।
#সাক্ষীর উপস্থিতি: গ্রেপ্তারের সময় অন্তত একজন সাক্ষীর (পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি) উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সাক্ষী না পাওয়া গেলে তার কারণ নথিবদ্ধ করতে হবে।
৩. বিচারিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন
#জরিমানার ক্ষমতা বৃদ্ধি (৩২ ধারা): ম্যাজিস্ট্রেটদের জরিমানা করার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এখন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন ।
#স্বাস্থ্য পরীক্ষা (১৬৭ ধারা): পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার আগে এবং পরে অভিযুক্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।
#তদন্ত তদারকি (১৭৩এ ধারা): চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তদন্তের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন (Interim report) চাওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

25/04/2026

আমাদের সমাজে জমিজমা নিয়ে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা হলো— "টানা ১২ বছর কারো জমি দখলে রাখতে পারলে সেই জমির মালিকানা পাওয়া যায়।" আইনে একে বলা হয় ‘Adverse Possession’ বা বিরুদ্ধ দখল। কিন্তু ২০২৩ সালে নতুন ভূমি আইন পাসের পর এই নিয়মের কি কোনো পরিবর্তন হয়েছে?
আসুন তামাদি আইন, ১৯০৮ এবং ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর আলোকে বর্তমান আইনি অবস্থানটি বিশ্লেষণ করি:

১. তামাদি আইনের ২৮ ধারা (বিরুদ্ধ দখল বা Adverse Possession):
তামাদি আইনের ২৮ ধারা এবং অনুচ্ছেদ ১৪২ ও ১৪৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারও সম্পত্তিতে প্রকাশ্য, নিরবচ্ছিন্ন এবং মূল মালিকের স্বার্থের বিরুদ্ধে (Hostile intent) টানা ১২ বছর দখল বজায় রাখেন, এবং মূল মালিক যদি এই সময়ের মধ্যে দখল উদ্ধারের কোনো মামলা না করেন, তবে মূল মালিকের উক্ত জমির উপর অধিকার বিলুপ্ত হয়। ফলস্বরূপ, দখলদার ব্যক্তি ওই জমির মালিকানা লাভ করতে পারেন।

২. ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৭ ধারা:
সাম্প্রতিক এই যুগান্তকারী আইনে অবৈধ দখলকে একটি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি পেশিশক্তি, জবরদখল, বা অবৈধ পন্থায় অন্যের জমি দখল করেন বা দখলে রাখেন, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর জন্য সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বর্তমান আইনি অবস্থান ও দুই আইনের সমন্বয়:

অনেকেই প্রশ্ন করেন, নতুন আইন আসার পর কি তামাদি আইনের ২৮ ধারা বাতিল হয়ে গেছে?

উত্তর হলো— না, তামাদি আইনের ২৮ ধারা সরাসরি বাতিল হয়নি। তবে নতুন আইনের ফলে জবরদখলকারীদের জন্য এটি আর আগের মতো ঢাল হিসেবে কাজ করবে না।

* জোরপূর্বক দখল অপরাধ: কেউ যদি এখন জোরপূর্বক বা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের জমি দখল করে ১২ বছর পার করার পরিকল্পনা করেন, তবে মূল মালিক যেকোনো সময় ২০২৩-এর আইনের অধীনে ক্রিমিনাল অ্যাকশন বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারবেন।

* ফৌজদারি বনাম দেওয়ানি: তামাদি আইনের ২৮ ধারা একটি দেওয়ানি অধিকার (Civil Right) নিয়ে কথা বলে, অন্যদিকে ২০২৩ সালের আইনটি অবৈধ দখলকে ফৌজদারি অপরাধ (Criminal Offence) বানিয়েছে। কোনো অপরাধমূলক কাজের মাধ্যমে দেওয়ানি অধিকার অর্জন করা যায় না (No one can benefit from his own wrong)।

* অতীতের দখল: তবে ২০২৩ সালের আইনটি ভূতাপেক্ষ (Retrospective) নয়। অর্থাৎ, এই আইন পাসের আগেই যদি কেউ তামাদি আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী ১২ বছরের নিরবচ্ছিন্ন বিরুদ্ধ দখলের মাধ্যমে আইনগতভাবে মালিকানা অর্জন করে থাকেন এবং আদালত কর্তৃক তা ডিক্রিপ্রাপ্ত হয়, তবে সেটি ভিন্ন বিষয়।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল করে ১২ বছর পার করে মালিক হওয়ার দিন শেষ! নতুন ভূমি আইন অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে, যা সাধারণ ভূমি মালিকদের জন্য এক বিশাল সুরক্ষাকবচ।

12/04/2026

👉ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন...
13/02/2024

👉ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না
✅ওয়ারিশ সনদ পত্র।
✅পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
✅নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট জার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয়,,,কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে,,, কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে,,, জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি,,, বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো,,, সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয়,,, ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা, পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা,,, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।

28/01/2024

#চেকের_মামলা
#পার্ট_2
া_১৩৮

27/01/2024

#চেকের_মামলা(The Negotiable Instruments Act,1881)
া_১৩৮
Part -1

সঞ্চয়পত্র ও আয়কর রিটার্ন বিষয়ক বাংলাদেশ ব্যাংক এর নির্দেশনা।
25/01/2024

সঞ্চয়পত্র ও আয়কর রিটার্ন বিষয়ক বাংলাদেশ ব্যাংক এর নির্দেশনা।

25/01/2024

চেকের মামলা নিয়ে বিস্তারিত ভিডিও আসবে খুব শীঘ্রই।ধন্যবাদ।

19/01/2024

Jurisdiction of Civil Courts
,1908

Address

Chittagong Division
Chittagong

Telephone

+8801558943775

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Universe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Law Universe:

Share