ABL Sonka Branch, Bogura.

ABL Sonka Branch, Bogura. Committed To serving the nation

ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক সবার জীবন। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।
28/06/2023

ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক সবার জীবন। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

22/05/2023

একজন যুবক তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিল: "আপনারা আগে কীভাবে থাকতেন-
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যানবাহন নেই
ওয়াইফাই নেই
কোন ইন্টারনেট নেই
কম্পিউটার নেই
অনলাইন শপিং নেই
টিভি নেই
মোবাইল ফোন নেই
শপিং মল নেই
মাল্টিপ্লেক্স নেই"
তার বাবা উত্তর দিলেন:
"ঠিক যেমন তোমাদের প্রজন্ম আজকের
সাথে জীবনযাপন করে -
প্রার্থনা নেই
সমবেদনা নেই
সম্মান নেই
কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই
কোন চরিত্র নেই
লজ্জা নেই
বিনয় নেই
সময় পরিকল্পনা নেই
খেলাধুলা নেই
পড়া নেই"
আমরা যারা ১৯৪০-১৯৮০ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছি তারাই ধন্য। আমাদের জীবন একটি জীবন্ত প্রমাণ:
👉 স্কুলের পর সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলতাম। আমরা কখনো টিভি দেখিনি।
👉 আমরা প্রকৃত বন্ধুদের সাথে খেলতাম, ইন্টারনেট বন্ধুদের সাথে নয়।
👉 আমরা যদি কখনও তৃষ্ণার্ত অনুভব করি, আমরা বোতলের জল নয় কলের জল পান করি।
👉 আমরা কখনই অসুস্থ হইনি যদিও আমরা চার বন্ধুর সাথে একই গ্লাস জুস শেয়ার করতাম।
👉 আমাদের কখনই ওজন বাড়েনি যদিও আমরা প্রতিদিন প্রচুর ভাত খেতাম।
👉 খালি পায়ে ঘোরাঘুরি করেও আমাদের পায়ের কিছুই হয়নি।
👉 আমাদের মা ও বাবা কখনোই আমাদের সুস্থ রাখার জন্য কোনো সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেননি।
👉 আমরা নিজেদের খেলনা তৈরি করতাম এবং সেগুলো দিয়ে খেলতাম।
👉 আমাদের বাবা-মা ধনী ছিলেন না। তারা আমাদের ভালবাসা দিয়েছেন, পার্থিব উপকরণ নয়।
👉 আমাদের কখনই সেলফোন, ডিভিডি, প্লে স্টেশন, এক্সবক্স, ভিডিও গেম, ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ইন্টারনেট চ্যাট ছিল না - তবে আমাদের প্রকৃত বন্ধু ছিল।
👉 আমরা আমাদের বন্ধুদের বাড়িতে বিনা আমন্ত্রণে যেতাম এবং তাদের সাথে খাবার উপভোগ করেছি।
👉 আমরা হয়ত কালো এবং সাদা ফটোতে ছিলাম কিন্তু সেই ফটোগুলিতে রঙিন স্মৃতি খুঁজে পেতাম।
👉 আমরা একটি অনন্য এবং, সবচেয়ে বোধগম্য প্রজন্ম, কারণ *আমরা শেষ প্রজন্ম যারা তাদের পিতামাতার কথা শুনেছি*। আর *প্রথম প্রজন্ম যারা তাদের সন্তানদের কথা শুনতে হচ্ছে।*
সংগৃহীত

20/05/2023

মা দিবসের কান্না ও প্রবীণ নিবাসে থাকা মায়েদের গল্প

চিকিৎসক নূরজাহান ৪০ বছরের কর্মজীবনে দেশে এবং বিদেশে চিকিৎসা পেশায় কাটিয়েছেন। রাজধানীর একটি মাজার থেকে এই চিকিৎসককে উদ্ধার করে ঢাকার কল্যাণপুরে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত প্রবীণ নিবাস চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ারে আনা হয়েছিল চার বছর আগে।

তখন তিনি জানিয়েছিলেন, মিরপুরে ব্যাংকঋণের টাকায় বাড়ি বানিয়েছিলেন। কিন্তু ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় মামলা হয়। কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তখন দুই সন্তানসহ তাঁর ভাইবোনেরা তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন।

চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মিল্টন সমাদ্দার জানালেন, এখন নাকে নল দিয়ে খাওয়াতে হচ্ছে চিকিৎসক নূরজাহানকে। নূরজাহানসহ এখানে বিভিন্ন বয়সী ৭৭ জন মা রয়েছেন। মা দিবসে মায়েদের দেখতে নিবাসটিতে ছেলেমেয়েরা আসবেন না। কখনো আসেনও না। ২০১৪ সাল থেকে এমনই দেখে আসছেন মিল্টন সমাদ্দার।

আজ মে মাসের দ্বিতীয় রোববার, বিশ্ব মা দিবস। চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ারের পক্ষ থেকেও মা দিবসে বাড়তি কোনো আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয় না। মিল্টন সমাদ্দার বললেন, ‘আমাদের নিবাসে প্রতিদিনই মা বা বাবা দিবস। শুধু এক দিনের আনুষ্ঠানিকতা আমরা পালন করি না বা এক দিন পালন করে লাভও নেই। মা দিবস তো দূরের কথা, নিবাসে মা মারা গেলে তাঁর লাশটাও নিতে চান না ছেলেমেয়েরা। পরে আমরা নিজ খরচে মায়ের ধর্ম অনুযায়ী শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করি।’

মৌলভীবাজারের শমশেরনগরে ফাঁড়ি কানিহাটি চা–বাগানের সত্যনারায়ণ রবিদাস ও মা কমলি রবিদাসের একমাত্র ছেলে সন্তোষ রবিদাস। জন্মের পর মাত্র ছয় মাস বয়সে বাবাকে হারান সন্তোষ। চা–শ্রমিক হিসেবে কাজ করেই কমলি ছেলেকে বড় করেছেন। গত বছর চা–শ্রমিকদের আন্দোলনের সময় সন্তোষ মাকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন, তা ভাইরাল হয়। সন্তোষ বর্তমানে একটি ব্যাংকে চাকরি করেন। কমলি অন্যের বাসায় ছেলেকে রেখে বাগানে কাজ করতেন। মজুরি কম হওয়ায় ঋণ নিয়ে ছেলেকে পড়িয়েছেন।

সন্তোষ জানালেন, ‘২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে উপজেলায় তাঁর মাকে সম্মাননা দেওয়া হবে বলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানানো হয়েছিল। তবে পরে মায়ের নামটা কেটে দেওয়া হয়েছিল। চা–শ্রমিক মা নাকি মঞ্চে কিছু বলতে পারবেন না, তাই নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল। মা রোদ, বৃষ্টি, ঝড় সব মাথায় নিয়ে অমানুষিক পরিশ্রম করে আমাকে বড় করেছেন। এখন বুঝতে পারি মায়ের কষ্টটা।’

চা–শ্রমিকদের সন্তানদের বিনা মূল্যে পড়ানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত সন্তোষ রবিদাস। চাকরির প্রথম বেতন দিয়ে ঢাকা থেকে মায়ের জন্য শাড়ি কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। এখন মায়ের ঘরটি ঠিকঠাক করে দেওয়াসহ বিভিন্ন কাজে মাকে সহযোগিতা করছেন। ফলে মায়ের মুখে দেখা মিলেছে খুশির ঝিলিক।

হৃদয়ঙ্গম ঋদ্ধের নামে ফাউন্ডেশনের নাম রাখা হয়েছে ঋদ্ধ ফাউন্ডেশন। এ ফাউন্ডেশনের নানা কাজের মধ্যে ছেলেকে খোঁজেন তৃষ্ণা সরকার। ২০১৯ সালে ধানমন্ডিতে মারা যায় ঋদ্ধ। ছেলে র স্মরণে একটি ফাউন্ডেশন গড়েছেন তিনি। তৃষ্ণা সরকার বলেন, ‘যখন ঋদ্ধ ফাউন্ডেশনের কথা বলি, মনে হয় ছেলে আমার পাশেই আছে।’

লিখেছেনঃ মানসুরা হোসাইন
দৈনিক প্রথম আলো ১৪ মে ২০২৩

17/05/2023

অসাধারণ লিখেছেন !! (কবিতার কবি কে? ---
----- জানা নেই ) যদি সময় হয় , কবিতাটি
পড়ার অনুরোধ রইল ।


এই সমাজঃ

-এইযে, আপনাকে চেনা চেনা লাগছে!
জ্বী, আমি এপাড়াতেই থাকতাম,
-ও, তা কাকে চাচ্ছেন?
না পুরোনো কাউকে দেখছিনাতো, তাই খুঁজছিলাম...
আচ্ছা, ওই বাড়িটতে সত্য থাকতো না?
-জ্বী ওটা চাতুর্যরা দখল করে নিয়েছে, কথা বলবেন?
না থাক, আর ওই বাড়িটা?
-ওহ! বিবেকদের বাড়ির কথা বলছেন?
-ওরাও নেই এখন, বাড়িটা খালি পড়ে আছে,
-শুনেছি, লালসা ওটা কিনে নিবে, নিলাম হয়েছে।
ওরা এখন কোথায় থাকে জানেন?
-কি মুশকিল! আমি কি করে জানব?
আচ্ছা মানবিকতা আর মূল্যবোধ ওরা? ওরাও চলে গেছে?
-ওদের কথা শুনেছিলাম,
-ওদিকটায় থাকত শুনেছি, এখন আর চোখে পড়ে না।
-ওবাড়িতে সঠতা আর কুটচাল থাকে।
আচ্ছা সততার কি খবর বলতে পারেন?
-কোন সততা?
ঐযে বিবেক এর ছেলে আর সত্যের বড় ভাই।
-ওহ, আর বলবেন না, বেচারা ক্যান্সার হয়ে রোগে ধুকছে, -শুনেছি খুব অসুস্থ
-মনে হয় বাঁচবে না।
আর লজ্জা ওদের বাড়িও কি খালি?
-না না খালি কি আর থাকে?
-তবে লজ্জা আর নম্রতা ওদের আর দেখি না
-ওদের বাড়িতে এখন নগ্নতা আর উগ্রতারা থাকে
কোন বাড়ি?
-ওইযে দেখছেন রাস্তায় ছেলেটি দাঁড়িয়ে আছে?
-ওর নাম কাম, ওটাই নগ্নতার বাড়ি
আচ্ছা পাড়ার মুরুব্বী ছিল মর্যাদা আর সম্মান
তাদের সাথে একটু কাজ ছিল,
-আর বলবেন না, সম্মানকেতো অবিশ্বাস আর তার দল অপবাদ দিয়েই তাড়ালো
-আর মর্যাদা? রাতের আঁধারে পালিয়ে বাঁচল।
-ওই বাড়িতে এখন বিত্ত আর বৈষম্য থাকে।
আচ্ছা হাসিদের বাড়িটা কোনটা বলতে পারেন?
-হাসি মানে আনন্দ এর বোনের কথা বলছেন?
জ্বী জ্বী ওরাই,
-কিযে বলেন ওরাতো কবেই কান্নার কাছে বাড়ি বিক্রি করে চলে গেছে।
-কি বললেন? ভালবাসা?
-না ভাই, বিশ্বাস যেদিন মারা গেল, এরপর ভালবাসাকে কেউ দেখেনি।
-ওর বাড়িতে তালা ঝুলছে।
আচ্ছা পুরোনো কেউই কি নেই?
পুরোনো বলতে,
ওইযে ডানে বড় বাড়িটা দেখছেন?
-পাঁচ তলা? হ্যাঁ, ওটা দুঃখের বাড়ি, একতলা ছিল ।
-তার পাশেই তিন তলাটায় যন্ত্রনা থাকে, দশতলা ফাউন্ডেশন করেছে।
-মাঠের পাশের বাড়িটা দেখছেন?
-ওটা প্রতারকদের, কুড়ে ঘর ছিল এখন দালান হয়েছে।
- অবিশ্বাস ওখানে ভাড়া থাকে,
-আর ওইযে পুকুরপাড়ে, ওটা অভাবের, আগের মতই আছে।
-আপনার নাম ?
-হা হা হা চিনলেন না? আমি নিয়তি, দেখননি কখনো তবে নাম শুনে থাকবেন
-আচ্ছা আপনারা কারা ভাই?
আমি জীবন, আর ও শান্তি
-ওহো! আপনাদের জন্যইতো এতকাল অপেক্ষা করছি।
-প্লিজ আসুন,
-আজ থেকে আমাদের এই পাড়াতেই থাকবেন,
-কি বলছেন? কোথায় থাকবেন?
-কোন বাড়িটা লাগবে বলুন, প্লিজ বলুন তবু যাবেন না।
-আপনাদের খুব দরকার।
দুঃখিত ভাই,
যেখানে, বিশ্বাস, ভালবাসা, সততা, সম্মান, মর্যাদা কেউ নেই সেখানে জীবন আর শান্তি কিভাবে থাকে!
আসি, তারা আসুক, আবার দেখা হবে…

04/05/2023

পরিশ্রমী জীবনের ১৪টি রুলস।

সভ্যতার হাজার হাজার বছর ধরে শ্রমিক শ্রেণী মানুষের ঘামের উপর ভর করে পৃথিবী বর্তমান পর্যায়ে এসেছে । এজন্য আমরা আমাদের শ্রমজীবি পূর্বপুরুষদের কাছে ঋণী।

মানব জাতি , পিপীলিকা , বনের পাখি , মৌমাছি , জলের হাঙর বা কুমির সকল প্রাণী পরিশ্রম করে জীবন ধারন করে । তবে মানবজাতি ব্যতীত প্রাণীজগতে আর কোথাও শ্রেণী বৈষম্য দেখা যায় না।

সৃষ্টিকর্তা যেহেতু নিরপেক্ষ এবং নিষ্পাপ । তাহলে কি ধরা যায় যে, আমরা এখন আগের জন্মের কর্ম ফল ভোগ করছি ? তাই আমরা কেউ গরীবের ঘরে জন্মাই , কেউ বা ধনীর ঘরে ?
তবে নিরাশ হবো না । সৃষ্টি কর্তা নিজেই বলেছেন - আমি ভাগ্য পরিবর্তন করি , ফলের আশা না করে নিরলস কাজ করে যাও , আমি ফল দিব।

আমরা যদি সঠিক কর্মপদ্ধতি, জীবনের প্রতি সঠিক আচরন, কর্তব্য , নিষ্ঠা ও দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হই তাহলে আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করা পবিত্র ঈশ্বরের জন্য খুবই সহজ হবে , যেহেতু তিঁনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

আমরা কি করতে পারি ? কঠোর পরিশ্রম ? না , মোটেও তা নয় । এজন্য কিছু বিষয় অবশ্যই মানতে হবে পালন করতে হবে । আস্তে আস্তে অবশ্যই ঈশ্বর মুখ তুলে চাইবেন।

১। শুধু হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম নয়, পরিশ্রম হতে হবে বুদ্ধি নির্ভর এবং স্মার্ট । আগের মানুষ যেভাবে কাজ করত আপনিও সে ভাবে করবেন এমন চিন্তায় বাঁধা পরে থাকবেন না। কাজটা নিয়ে ভাবুন , কত সহজে কাজটা সম্পন্ন করা য়ায় , সহজ পদ্ধতি খুঁজে বেড় করুন। মনে রাখবেন শুধু কঠোর পরিশ্রমে ভাগ্য বদলায় না।

২। নিয়মিত সঠিক সময়ের পূর্বেই কাজে চলে যাবেন । বেশী ওয়ার্কলোড নিয়ে সহকর্মীদের সাথে তর্ক করবেন না। মনে কষ্ট পেলেও তাদেরকে বুঝতে দিবেন না। আপনাকে যারা আজ বেশী কাজ চাপিয়ে দিচ্ছে তাদের সাথে কয়েক বছর পর আপনার পার্থক্য বুঝতে পারবেন ।

৩।কখনোই শর্টকাট পদ্ধতি অবলম্বন করবেন না । সততার সাথে কাজ করবেন । অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ ১০ বছরের বেশী থাকে না । মানুষ আপনার সততা নিয়া আজে বাজে কথা বলবে , সন্ধেহ করবে । তারা বলবে আপনি গোপনে চুরি করেন, ঘুষ নেন । লোকের এসব কথায় কান দিবেন না । যখন আপনি সফল হতে চলবেন তখন এসব দুর্নাম আপনাকে চেপে ধরবে । আপনি নারী হলে আপনার চরিত্র নিয়েও রটনা ছড়াবে। কখনোই নিজের প্রতি আস্থা হারাবেন না । নিজের কাছে নিজেকে বিশুদ্ধ থাকবেন , সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণে রাখবেন। মনে রাখবেন আপনার লক্ষ্য অনেক দূরে ।

৪। আমি দেখেছি প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রেই উর্ধতন বস কর্মকর্তারা সঠিক কথা বলেন না বা আপনাকে সন্মান দিতেও জানেন না । আপনি কিন্তু ভুলেও অসন্মান করে কথা বলবেন না। নিশ্চিত থাকতে পারেন বস ৫/ ১০ মিনিট পরে স্থান ত্যাগ করবে । এ সময়টুকু জি স্যার ! হ্যাঁ স্যার ! অবশ্যই স্যার ! বলে কাটিয়ে দিন । তর্ক না করে আপনি দক্ষতার সাথে আপনার মতো সঠিক কাজটি করে ফেলবেন । বস পরে ভুল বুঝতে পারবে। আপনাকে আস্থায় নিবে।
এ ক্ষেত্রে অপ্রিয় হলেও একটি সত্য কথা - আমাদের দেশে বৃদ্ধ , শারীরিক ভাবে অক্ষম এবং অধিনস্তরা কখনোই লড়াই করে উপরের বসদের সাথে জিততে পারেনা । কথাটা মনে রেখে কর্মক্ষেত্রে চলবেন।

৫। বয়স ৪০ না হওয়া পর্যন্ত দৈনিক ১২ থেকে ১৬ ঘন্টা কাজ করুন । সম্ভব হলে দুটি কাজ করুন।স্ত্রীকে কাজ করতে উৎসাহী করুন । সে যত ছোট কাজই হোক না কেন । কাজ কখনো ঘৃণার নয় , সন্মানের । কোন লজ্জা করবেন না। নোংরা স্বার্থপর সমাজ আপনার অর্থনৈতিক কষ্টের জন্য কি লজ্জা পায় ? তাহলে আপনি কেন অহেতুক লজ্জা পাবেন ।

৬। সঞ্চয়ের অভ্যাস করুন । সঞ্চয়ের টাকা পরিমানে যত সামান্যই হোক না কেন ২০০ বা ৫০০ টাকা , তা আগেই সরিয়ে ব্যাংকে রাখুন । (১৮ বছর হলেই ব্যাংক একাউন্ট খুলে ফেলবেন, টাকা থাকুক বা না থাকুক) । বাকী টাকায় সংসার চালাবেন , সে যত কষ্টই হোক না কেন। ১০ বছর পর ফল পাবেন । কম্পাউন্ড ইন্টারেষ্ট পৃথিবীর অষ্টম আশ্চার্য একটি জিনিস!

৭। ক্ষুদ্র বিনিয়োগ করুন । একটু একটু ঝুকি নিন । প্রথম প্রথম ভুল হলেও আস্তে আস্তে শিক্ষা হবে, টাকার যথাযথ ব্যবহার ও প্রয়োগ বুঝে যাবেন , মানুষ ও চিনবেন । পরবর্তীতে বড় ঝুকি নিয়ে সফল হবেন। কখনোই মিথ্যাবাদী নীতিহীন সহকর্মী বা বন্ধু আত্মীয় স্বজনের সাথে যৌথ বিনিয়োগ করবেন না। কাউকে টাকা ধার দিবেন না , ধার নিবেনও না।

৮। যে কোন বদ অভ্যাস যেমন পান সিগারেট খাবেন না । (মদ , জুয়া , নারী - এসব কু অভ্যাসেও জড়াবেন না এতে অনেক টাকা চলে যায় । ফিরতে পারবেন না। খরচ মিটাতে একসময় অপরাধে জড়িয়ে পরবেন )। আপনি হয়ত মনে করেন চা পান সিগারেটে দৈনিক ৩০-৫০ টাকায় কি এমন ক্ষতি হয় ! না ! ভুল ভাবনা ! মাসে ৯০০ টাকা চলে যায় এবং বয়স ৩৫ হলে এসব খারাপ অভ্যাসের জন্য আলসার , উচ্চরক্তচাপ , বহুমূত্র , হৃদরোগ বা যক্ষ্মার মতো জটিল রোগ ধরা পরবে । তখন মাসে ৯ হাজার টাকা নেমে যাবে । এসব রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল এবং আপনার কর্ম ক্ষমতাও কমে যাবে । মালিকপক্ষ রোগা কর্মী পুষবে না । আপনি চাকুরী হারাবেন অতপর দরিদ্র হয়ে মারা যাবেন। সন্তানরা নাবালক বয়সে এতিম হয়ে যাবে। ওদের জীবন অনিশ্চিত হয়ে যাবে। বরং বদ অভ্যাসের জন্য খরচের টাকাটা সন্তানদের শিক্ষায় ব্যয় করুন।

৯। সাধ্যের বাইরে সন্তানদের ব্যয়বহুল স্কুলে পাঠাবেন না । কেউ কেউ ভবিষ্যৎ চিন্তা না করে , অন্যকে দেখে আবেগের তাড়নায় প্রথম সন্তানকে ইংলিশ স্কুলে দেন । যখন ২য় সন্তান আসে তখন অর্থনৈতিক চাপে পরে ।সন্তান একজন বাংলা , একজন ইংলিশ স্কুলে পড়ে। তখন দুই ভাই বা বোনের মধ্যে মানসিক দন্দ্ব তৈরী হবে । নতুবা খরচ চালাতে না পেরে আপনি বাধ্য হয়ে বড় সন্তানকে বাংলা স্কুলে নিয়ে আসবেন ।এতে সন্তানের জীবন বিপন্ন হতে পারে। এমন কি চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে ।

১০। যতদূর সম্ভব দান করুন । মাসে ১০/ ২০ টাকা হলেও দরিদ্রকে দান করুন । সন্তানদেরও শিখিয়ে দিন কি ভাবে দান করতে হয় । দানে মনের দৈন্যতা দূর হয় , ধন বহুগুণে ফিরে আসে । এখানেও ঈশ্বর কম্পাউন্ড ইন্টারেষ্ট থিউরি ব্যবহার করেন।

১১। জামা কাপড় জুতা বা দামী মোবাইল , ইলেক্ট্রনিক্সের শৌখিন জিনিস কিনবেন না । এসব ফালতু জিনিস , কোন কাজে লাগে না । ভ্রমন করে বেশী খরচ করবেন না । সন্তানের বয়স ১২-১৪ বছর হলে অবশ্যই ওদেরকে নিয়ে ভ্রমন করবেন। দারুন উপকার পাবেন।

১২। আপনার সীমিত আয় সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের সকলকে ধারনা দিন । আপনার বাবা মা দাদা দাদী কত কষ্ট করে জীবন চালাত এবং আপনাকে পড়াশুনা করিয়েছে এসব বিষয় নিয়ে সন্তানদের সাথে মাঝে মাঝে কথা বলবেন।

১৩। যত কষ্ট হোক বাবা মাকে ছাড়বেন না । ঈদ পুজায় অবশ্যই সামান্য হলেও উপহার দিবেন , এমনকি তাদের প্রয়োজন না হলেও ।
তাদের আশীর্বাদ ছাড়া কিছুই হবে না , সে আপনি যত চেষ্টাই করেন না কেন । কিভাবে যে নি:স্ব হবেন টেরই পাবেন না । আপনার সব থাকবে , থাকবেনা শান্তি। রোগ শোক চেপে ধরবে । এমনকি ডাক্তারও আপনার রোগ ধরতে পারবে না। অশান্তিতে একসময় আত্মহত্যাও করতে চাইবেন। মূল কারন আপনার প্রতি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ নেই । কারন - মা বাবা আপনার প্রতি খুশী না বা খুশী ছিলেন না ।

১৪। আপনি শ্রমিক তো কি হয়েছে ? আপনি নিয়মিত ঘড়ি ধরে ২০ মিনিটের জন্য হলেও হাতের কাছে যা পাবেন তাই পড়বেন । পত্রিকার খবর পড়বেন না, টিভি দেখবেন না । পত্রিকার ভিতরের পাতায় বিশিষ্ট মানুষের লেখা ছাপা হয় , তা পড়বেন । ছেলে মেয়েদের বাংলা পাঠ্য বইর গল্প পড়তে পারেন । বাঁচ্চারাও দেখে মজা পাবে। আর কিছু না পেলে অন্তত কোরআনের বাংলা অনুবাদ বা গীতা যা খুশী তাই পড়বেন। সময় পেলে বিশিষ্ট পরিচালকের তৈরী সেরা সিনেমা দেখবেন।

জীবন থেকে নেয়া এ ১৪টি রুলস মেনে চললে আপনার শ্রম জীবন অধিকতর সহজ হবে , জীবন উপভোগ্য হবে ।
Copy paste

What an idea!
23/06/2022

What an idea!

বৃষ্টির দিনে বর্ষার কদমে ফুলের ছবি-অকারণেই যেন বানায় আমায় কবিবৃষ্টিতে দু'হাত ভরে কদম ফুল নিয়ে,,,ভিজবো আবার গায়ের পথে গিয়...
15/06/2022

বৃষ্টির দিনে বর্ষার কদমে ফুলের ছবি-
অকারণেই যেন বানায় আমায় কবি
বৃষ্টিতে দু'হাত ভরে কদম ফুল নিয়ে,,,
ভিজবো আবার গায়ের পথে গিয়ে,,

আকাশে হঠাৎ করে চমকাবে মেঘ জোরে।
মা ডাকে এমন দিনে কোথায় গেলি ওরে..
বলবো মা ডেকো নাতো আর আমায়,,
আমি পড়েছি বাধা কদম ফুলের মায়ায়।

Address

Sonka Bazar, Sherpur
Bogura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABL Sonka Branch, Bogura. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ABL Sonka Branch, Bogura.:

Share